মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

গবাদিপশুর হাট বন্ধ রাখার নির্দেশ জেলা প্রশাসকের

শেয়ার করুন

ইমাম খাইর, সিবিএন
করোনার সংক্রমণ রোধকল্পে এবার কক্সবাজারের সমস্ত গবাদি পশুর হাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন।

জনস্বার্থে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে তিনি জানান।

শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসকের ফেসবুক ওয়ালে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

করোনা ভাইরাস থেকে আত্মরক্ষায় জনসমাগমে বুধবার (১৮ মার্চ) বিকালে বিধিনিষেধ আরোপ করেন জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন। পরে পর্যটন স্পটসমূহ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়।

ঘোষণার পর থেকেই জনশূন্য হয়ে যায় কক্সবাজার সমুদ্র পাড়সহ আশপাশের এলাকাগুলো।

কক্সবাজারে পর্যটক আগমন ঠেকাতে মোড়ে মোড়ে অবস্থান নেয় পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। যাত্রীবাহীবাস তল্লাসি করতে চকরিয়ায় বসানো হয়েছে পোস্ট।

বিভিন্ন বাস কাউন্টার ও জনসমাগমের জায়গায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রচারপত্র বিলিসহ সতর্কতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।

যে সকল পর্যটক বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে অবস্থান করছিল তারা নিরাপদে গন্তব্যে চলে গেছে।

এরপর থেকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, ইনানী, হিমছড়িসহ প্রায় সব পর্যটন স্পটে চরম শূন্যতা বিরাজ করছে।

রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমাবেশ-গণজমায়েত নিষিদ্ধ করে জেলা প্রশাসন।

কমিউনিটি ক্লাবে লোকসমাগম ও বিয়েশাদিতে কড়াকড়ি করে। শুক্রবার কক্সবাজার সাইফুল কমিউনিটি সেন্টারে একটি বিয়ের আয়োজনর অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের একটি টিম।

সতর্ক করা হয় কমিউনিটি সেন্টারের মালিক, বর ও কনে পক্ষকে।

শুক্রবার পর্যন্ত জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে আছে ৬৬ জন। প্রবাস থেকে ফিরেছে প্রায় ১৭০০ জন।

সূত্রঃ সিবিএন

শেয়ার করুন