মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

খরুলিয়ার অভিভাবক নির্যাতনকারি সেই মিজানের মহড়া!

শেয়ার করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজার সদরের কাছাকাছি এলাকা খরুলিয়ায় আলোচিত অভিভাবক নির্যাতনকারিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে এসে এলাকায় নিয়মিত মহড়া দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে খরুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের কতিপয় প্রাক্তণ ছাত্র পরিষদের সদস্য সচিব খ্যাত মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একদল লোক নিয়মিত মহড়া দিয়ে আসছে বলে স্থানীয় সূত্র দাবি করেছেন। ভুক্তভোগি গত ১৮ ফেব্রæয়ারি মিজানসহ এই সব আসামির বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় একটি সাধারন ডাইরি করেছেন।
সূত্র মতে, গত ৭ জানুয়ারি রবিবার কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া কেজি অ্যান্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুলে এক অভিভাবককে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। এ ঘটনায় নির্যাতনের বিচার পেতে পর দিন সোমবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী অভিভাবক আয়াত উল্লাহ।ওই মামলায় মিজানুর রহমানসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
ভুক্তভোগি আয়াত উল্লাহ দাবি করেন, গেল কয়েকদিন আগে ওই মামলার অধিকাংশ আসামী জামিনে আসে। বর্তমানে ওই মামলার অন্যতম আসামী মিজান নিয়মিত এলাকায় মহড়া দিয়ে আসছে। যার কারনে এলাকার সাধারণ লোকজনের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। এমনকি নিয়মিত মামলা প্রত্যাহারের হুমকি দিচ্ছে।

অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের সাথে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই বিষয় অস্বীকার করেন।

কক্সবাজার সদর মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দিন খন্দকারের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, রোববার আয়াত উল্লাহ সকালে খরুলিয়া কেজি অ্যান্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুলে গিয়ে সন্তানের পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়া,পূর্ব ঘোষণা ছাড়া ভর্তি ফি ও মাসিক বেতন বাড়ানোর কারণ জানতে চান। এ সময় খরুলিয়া কেজি অ্যান্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং খরুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ তাদের সহযোগীরা আয়াত উল্লাহর ওপর চড়াও হন। পরে আয়াত উল্লাহকে হাত-পা বেঁধে মারধরের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

শেয়ার করুন