মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া

কুতুবদিয়ায় জাতীয় গণহত্যা দিবস উদযাপন

শেয়ার করুন

 

 

২৫ মার্চ ( শনিবার) সকাল ১১টায় কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পালন করা হয়েছে জাতীয় গণহত্যা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজন করা হয় এক আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অঃদাঃ) এ.এইচ.এম শহিদুল হক।

সভায় উপস্থিত থেকে ২৫ মার্চ সেই কালো রাতের ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের স্মৃতি চারণ করে বক্তব্য রাখেন কুতুবদিয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সদস্য শফিউল আলম, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা মাস্টার আহমদ উল্লাহ বি.কম,উত্তর ধুরুং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ.স.ম শাহরিয়ার চৌধূরী,ডিঙ্গা ভাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর নাহার বেগম, শাহাজির পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলম বাহাদুর, কুতুবদিয়া শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক মাস্টার ছৈয়দ নুর, মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী, উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম লালা, আ’লীগ নেতা ফরিদ উদ্দিন তালুকদার, কুতুবদিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা অসিত কুমার।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সেই ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালো রাত ছিল জাতির জন্য এক কালো অধ্যায়। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী সেই দিন রাতে নিরস্ত্র নিরীহ বাঙ্গালীর ওপর ঝাপিয়ে পড়ে বাঙলা মায়ের অসংখ্য তাজা ও মেধাবী প্রাণকে কেড়ে নিয়েছে। সে দিন যদি বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন তাহলে বাংলাদেশ হয়তো স্বাধীন হতো না। তিনি সে দিন স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বলেই বাংলাদেশ আজ স্বাধীন। তিনি বাঙালী জাতিকে এক কাতারে এনে সংগঠিত করে এদেশকে স্বাধীন করেছিলেন বলেই তিনি আজ জাতির পিতা। তাতে কারো সন্দেহ থাকার কথা নয়। এক কথায় বঙ্গবন্ধু হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালী এবং তিনিই বাংলাদেশের জনক।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, লেমশীখালী ইউপির চেয়ারম্যান আকতার হোছাইন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রজব আলী, উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ মহসীন, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোরশেদুল করিম সবুজ, উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

আলোচনা সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা জামে মসজিদের পেশ ইমাম মৌলভী জাফর আহমদ। এবং শিল্পকলা একাডেমীর শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি দেশত্ববোধক গানের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

শেয়ার করুন