মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

কস্তরাঘাট এলাকায় ‘পুলিশের জলযান’ স্টেশনের নামে জমি দখল

শেয়ার করুন

cR2
কক্সবাজার শহরের কস্তরাঘাট এলাকায় ‘পুলিশের জলযান’ স্টেশনের নামে কক্সবাজার পৌর সভার বিশাল জমি দখল করে নিয়েছে নারায়ন নামের পুলিশের এক কনস্টেবল। রাত দিন দখর প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে ওই পুলিশ কনেস্টবল। এমনকি পুলিশের নামে দখলকৃত জায়গাতে পুকুর খনন করে মাছ চাষ করে আসছে।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, কক্সবাজার শহরের কস্তুরাঘাটে প্যারাবন নিধন করে পৌরসভার জমিতে দোকান নির্মাণ করছে নারায়ন নামের পুলিশের এক কনস্টেবল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বিশাল এলাকা দখল করে আছেন। গভীর রাতে সেখানে দোকান নির্মাণ শুরু করেন তিনি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, নারায়ন নামের ওই কনষ্টেবল সেখানে রাতের আধারে মাদক বিক্রি ও সেবনের সাথেও জড়িত।
এলাকাবাসী দোকান নির্মাণ বন্ধে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তবে নারায়ন বলেছেন তিনি দোকান নয়, থাকার জন্য ঘর তৈরী করছেন।
দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ কনেস্টবল নারায়ন জমি দখল করে ভোগ দখল করে আসলেও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর গত কয়েক দিন আগে ‘পুলিশের জলযান’ স্টেশনের নামে একটি সাইনবোর্ট টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়েছে।
এদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কিছুই অবগত নয় বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও প্রকাশ, উক্ত জমি লিজ নেয়ার জন্য পুলিশ সদস্য নারায়ন নিজস্ব ভাবে একটি আবেদন করেছে জেলা প্রশাসন বরাবর।
এই প্রসঙ্গে কক্সবাজার পৌর মেয়র সরওয়ার কামাল জানিয়েছেন, শহরের কস্তরাঘাট এলাকায় পৌর সভার একটি জমি দখল করার খবর শুনেছি। খোঁজ খবর নিয়ে অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ করা হবে।

শেয়ার করুন