২৪ মার্চ, ২০২৬ | ১০ চৈত্র, ১৪৩২ | ৪ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প

কক্সবাজারের শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন

কক্সবাজারের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। এতে স্মৃতিস্তম্ভের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গেছে। রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল হাকিম জানান, সন্ধ্যায় কে বা কারা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা সম্বলিত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে মুহূর্তে আগুনের লেলিহান শিখায় জ্বলে উঠে স্মৃতিস্তম্ভটি।

শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের সামনে অবস্থিত ফুলের দোকানদার আব্দুর রহিম ও মোহাম্মদ মনির বলেন, ‘প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই এই স্মৃতিস্তম্ভের পেছনে মাদকসেবীদের আড্ডা চলে। হয়তো তাদেরই কেউ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।’

কক্সবাজার জেলা মুক্তিযোদ্ধা ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার মো. শাহাজাহান বলেন, ‘যারা শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেয়, তারা জাতির শত্রু। এটি মুক্তিযুদ্ধ অবমাননার সামিল। তাই এর সুষ্ঠু তদন্ত করা দরকার।’ এসময় তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে থাকা শহীদ স্মৃতিস্তম্ভটি দেখভাল করার জন্য একজন লোক নিয়োগ দেওয়ারও দাবি জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, ‘শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এতে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’

তিনি উপস্থিত স্থানীয়দের বরাত দিয়ে আরও বলেন, ‘একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনারে দেওয়া ফুলের অংশগুলো শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে ফেলা হয়েছিলো। স্থানীয়রা মানসিক ভারসাম্যহীন এক লোককে আগুন ধরিয়ে দিয়ে চলে যেতে দেখেছে। তারপরও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে।’

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে কক্সবাজার জেলা পরিষদের অধীনে গণপূর্ত বিভাগ প্রায় ১১ লাখ টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার শহীদ স্মৃতিস্তম্ভটি নির্মাণ করেন। কক্সবাজার জেলার মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদের তালিকা স্বরণীয় করে রাখতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে স্থাপিত হয় এ স্মৃতিস্তম্ভটি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।