১৪ মার্চ, ২০২৬ | ১ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৪ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কে পর্যটকবাহি বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত-৩

বিশেষ প্রতিবেদকঃ কক্সবাজার সৈকতের মেরিন ড্রাইভ সড়কে পর্যটকবাহি বাসের সাথে যাত্রিবাহি সিএনজি টেক্সীর মুখোমুখী সংঘর্ষে চালকসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এসময় আরো আহত হয়েছেন সিএনজির অপর চার যাত্রি। রামুর খুনিয়াপালং প্যাঁচারদ্বীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
মেরিন ড্রাইভ সড়কের হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল হালিম দূর্ঘটনার তথ্যটি জানিয়ে বলেন, ঘাতক বাসটি জব্দ করেছে রেজুখাল এলাকায় বসা বিজিবি যৌথ চেকপোস্টে দায়িত্বরতরা। আর দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া সিএনজিটি জব্দ করেছে হিমছড়ি পুলিশ।


নিহতরা হলেন, টেকনাফের বাহারছরা শামলাপুর পুরানপাড়া এলাকার সৈয়দ হোসেনের ছেলে সিএনজি চালক নুরুল আবছার (২৬) ও মৃত হাজি সিকান্দারের ছেলে ছৈয়দুল ইসলাম (৫৫)। বাকি একজনের নাম ঠিকানা কেউ দিতে পারেনি। তিনজনের মাঝে চালকসহ দু’জন স্পটে এবং বাকিজন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মারাযান বলে জানিয়েছে পুলিশ। আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল হালিম প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানান, পর্যটক বোঝাই ইনানী অভিমূখী বাসটি (ঢাকা মেট্রো ব-১৪-৩৫২৮) মেরিন ড্রাইভ সড়কের প্যাচারদ্বীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় আসলে কক্সবাজার অভিমূখী কক্সবাজার-থ-১১-২৪৬৪ নাম্বারধারী সিএনজি টেক্সীর মুখোমূখী সংঘর্ষ লাগে। এতে সিএনজিটি দুমড়েমুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলে মারাযান চালক আবছার ও অজ্ঞাতনামা এক যাত্রী। সিএনজিতে থাকা বাকি চার যাত্রিকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে পৌছানোর পর পরই মারা যান ছৈয়দুল ইসলাম। বাসের হেলপারকে আটক করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় পযটন ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম ও ওয়াহিদ রুবেল বলেন, সরু ও অপরিচিত রাস্তা হলেও বেপরোয়া গতিতে চলছিল পর্যটকবাহি বাসটি। আর সিএনজিটিও পাঁচ জনের স্থলে যাত্রি নেয় ছয় জন। ফলে স্কুলের সামনে ব্রীজটি পার হতে গিয়ে বাস ও সিএনজিটি মুখোমুখী সংঘর্ষে পড়ে সিএনজিটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে মারাযান চালক ও এক যাত্রি। রিপোর্ট লেখাপর্যন্ত (বেলা সোয়া ১টা) স্পটে নিহতদের মরদেহ দূর্ঘটনাস্থলে রয়েছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরোজুল হক টুটুল তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ টীম পাঠানো হয়েছে। দূর্ঘটনা কবলিত সিএনজি ও বাসটি পুলিশ হেফাজতে নেয়া হচ্ছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।