মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

‘কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে হিমালয়কন্যা’ হয়ে ফিরলেন দুই বাইকার

শেয়ার করুন

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে হিমালয়কন্যা নেপাল দেখে দেশে ফিরলেন বাংলাদেশের দুই বাইকার।
‘সমুদ্র সৈকত থেকে হিমালয়কন্যা’ শীর্ষক স্লোগান নিয়ে জুন সাদিকুল্লাহ ও এ কে এম আবিদুর রহমান ১৪ দিনে পাড়ি দিয়েছেন ৪ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পথ।

গত ২৬ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করে ৭ জানুয়ারি বেনাপোল হয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন তারা। এরপর ৮ জানুয়ারি ভোরে ঢাকায় পৌঁছান।

জুন সাদিকুল্লাহ জানান, বেনাপোল থেকে মোটরসাইকলে চালিয়ে প্রথমে তারা কলকাতা যান। এরপর সেখান থেকে পাটনা। পাটনায় ভারতের বীরগঞ্জ সীমান্ত ও নেপালের রাখসুল সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে যাত্রার চতুর্থ দিনে রাজধানী কাঠমান্ডু পৌঁছান।

এরপর আবার কলকাতা হয়ে বেনাপোল দিয়ে বাংলাদেশে ফেরেন।

মোটরসাইকেল চালিয়ে ভ্রমণপথে নানা অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন জুন ও আবিদ।

তারা বলেন, যারা অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ করেন তাদের জন্যই এমন যাত্রা। যাত্রাপথে পুরোটা সময় তারা বাংলাদেশের কক্সবাজারকে তুলে ধরেছেন। কলকাতা এবং নেপালে যাত্রাকালে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়ানোর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তারা।

বাংলাদেশ ভ্রমণে অনেকেই আগ্রহ দেখিয়েছেন জানিয়ে জুন বলেন, দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে অনেকেরই আগে ধারণা ছিলো না। এখন অনেকেই কক্সবাজার ভ্রমণে আগ্রহ দেখিয়েছেন।

যাত্রাপথে বাংলাদেশকে তুলে ধরার পাশাপাশি নিরাপদ মোটরসাইকেল চালানো নিয়েও ক্যাম্পেইন করেছেন তারা।

জুন ও আবিদ মাসখানেক চেষ্টা চালিয়ে অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন থেকে কারনেট সুবিধা নিয়ে নিজেদের মোটরবাইকে করে এই যাত্রা করেছিলেন। রাজস্ব বোর্ড ও কাস্টমসের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেছেন তারা।

জুন উল্লেখ করেন, নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসে আতিথেয়তা তারা উপভোগ করেছেন।

এর আগে মোটরসাইকেলে ৫ দিনে বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ভ্রমণ করে রেকর্ড গড়েছিলেন সাদিকুল্লাহ। একদিনে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পৌঁছানোর রেকর্ডটিও তার।

এ যাত্রায় তাদের পার্টনার ছিলো রাসেল ইন্ড্রাস্ট্রি লিমিটেড এবং ফেসবুকভিত্তিক গ্রুপ ‘ক্লাব কেপিআর’। ইঞ্জিন ওয়েল পার্টনার ‘এমজেএল বাংলাদেশ’ আর মোবাইল পার্টনার চীনা মোবাইল কোম্পানি হুয়াই।

শেয়ার করুন