২২ মার্চ, ২০২৬ | ৮ চৈত্র, ১৪৩২ | ২ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার

কক্সবাজার শহর জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত


মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচন সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী কক্সবাজার শহর। ২১ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার বিকেলে শহর জামায়াতের এসিষ্ট্যান্ট সেক্রেটারী মুহাম্মদ মুহসিনের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারী শামসুল আলম বাহাদুর, আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা আলহাজ¦ ফরিদুল আলম, মাওলানা নুরুল হুদা, ডাঃ বদিউল আলম, সোহেল মাহমুদ প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারী শামসুল আলম বাহাদুর বলেন, ৫২ এর মহান ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই আসে স্বাধীনতা যুদ্ধ। রক্ত দিয়েই ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধ উভয়টিতেই বিজয় অর্জন করেছে জাতি। কিন্তু সেই বিজয়কে ব্যর্থ করে দিতে ষড়যন্ত্র থেমে নেই। চলছে জাতিকে বিভক্ত করার ভয়ঙ্কর খেলা। ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসকে বিকৃত করে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, সেদিন ভাষা আন্দোলনের ইসলামপন্থীরা বিশেষ অবদান রেখেছিলেন। ইসলামী আদর্শে উজ্জিবিত ”তমদ্দুন মজলিসই” এ আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। অধ্যাপক গোলাম আযম ছিলেন এ আন্দোলনের অগ্রসৈনিক। তিনি ভাষার দাবিতে মানপত্রও পাঠ করেছিলেন। তিনি ডাকসুর নির্বাচিত জি এস থাকলেও রাজনৈতিক সংকীর্ণতার কারণে ডাকসুর নাম ফলক থেকে তার নাম মুছে ফেলা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের নিমর্ম ও অমানবিক নির্যাতনে কারারুদ্ধ অবস্থায় এই ভাষাসৈনিক মৃত্যুবরণ করেন। সরকার প্রতিহিংসা বশতই ভাষা আন্দোলনের কৃতিত্ব থেকে অধ্যাপক গোলাম আযমকে বঞ্চিত করার ঘৃণ্য চক্রান্তে লিপ্ত। কিন্তু ভাষা আন্দোলনকে নিয়ে আওয়ামী লীগ ও একশ্রেণীর বুদ্ধিজীবীর নিকৃষ্ট মিথ্যাচার দেশপ্রেমী জনতা কখনোই মেনে নেবে না বরং ইতিহাসই প্রকৃত ভাষা সৈনিকদের মর্যাদা নিশ্চত করবে।

৫২ এর বিজয়ী জাতি আজ ষড়যন্ত্রকারীদের গণহত্যা, খুন, গুম, হামলা, মামলা, নির্যাতনের শিকার। চলছে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র। কিন্তু দেশ ও ইসলাম বিরোধী এ ষড়যন্ত্র ইসলাম প্রিয় জনতা বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেয়নি। আগামীতে দেশ ও ইসলাম বিরোধী যে কোন ষড়যন্ত্র ভাষা দিবসের চেতনায় উজ্জ্বীবিত হয়ে রুখে দিতে জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে। ভাষা আন্দোলনের প্রেরনায় উজ্জীবিত হয়ে জনগনের বাক স্বাধীনতা ও গনতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। আলোচনা সভা শেষে, ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।