১৮ মার্চ, ২০২৬ | ৪ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৮ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার

“এসো মিলি সবে, নবান্নের উৎসবে”

আতিকুর রহমান মানিকঃ কক্সবাজারে উদযাপিত হয়েছে নবান্ন উৎসব। ২১ নভেম্বর সন্ধ্যায় পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে জেলা প্রশাসন এ উৎসবের আয়োজন করে। “এসো মিলি সবে, নবান্নের উৎসবে” এ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন। এ উপলক্ষে  পাবলিক লাইব্রেরীর শহীদ সুভাষ হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল এম পি।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, নবান্ন উৎসবের সাথে মিশে আছে বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐহিত্য ও সংস্কৃতি। প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালিয়ানার পরিচয় পাওয়া যায় এই নবান্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে। নতুন ধান কাটা আর সেই সাথে কৃষকের ঘর ভরে ওঠে গোলাভরা ধানে। হাজার বছরের পুরনো এই উৎসবটি যুগ যুগ ধরে একইভাবে পালন করে আসছে সবাই। সবচেয়ে ঐহিত্যবাহী এবং সবচেয়ে প্রাচীনতম মাটির সাথে চিরবন্ধনযুক্ত এই নবান্ন উৎসব। এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো: আনায়ারুল নাসের, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: মাহিদুর রহমান, জেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী  ম্যাজিষ্ট্রেটবৃন্দ, কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক পিন্টু আরেং, কালচারাল অফিসার সৈয়দ মুহম্মদ আয়াজ মাবুদ, নাট্যজন তাপস রক্ষিত,  অধ্যাপক বিপ্লব পাল ও আকতার কামালসহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ  উপস্থিত ছিলেন। পরে উৎসবে লোকনৃত্য, সংগীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করা হয়।  নবান্ন উৎসব উপলক্ষে আবহমান বাংলার বিভিন্ন রকম পিঠা-পুলির আয়োজন করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।