মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

উলুচামরী কোনার পাড়ায় ইয়াবা সহোদরের উৎপাতে অতিষ্ঠ মানুষ

শেয়ার করুন

হুমায়ুন রশিদ,(টেকনাফ): টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের উলুচামরী কোনার পাড়ার ইয়াবা সহোদর সিন্ডিকেটের উৎপাতে এলাকার জনসাধারণ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ভূক্তভোগী জনসাধারণ এই ব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা কামনা করেছেন।
জানা যায়, উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের উলুচামরী কোনার পাড়ার মৃত আব্দুস শুক্কুরের পুত্র দেলোয়ার হোসাইন প্রকাশ চেট্টাইয়া নাফনদীর কিনারাস্থ চৌধুরী পাড়ায় এক রাখাইন পরিবারে মৎস্য প্রজেক্টের পাহারাদার হিসেবে চাকুরী করে। ঐ প্রজেক্টে চাকরী করার সুবাদে মিয়ানমারের নাগরিকদের সাথে পরিচয়ের সুত্রধরে সখ্যতা গড়ে উঠে। এর পরই সে ইয়াবা চালান খালাসের পথে পা দেয়। জড়িয়ে পড়ে ইয়াবা চোরাচালান। এই কাজে সহযোগী হিসেবে তার ভাই ধইল্যা যোগ দেওয়ায় এই দুই সহোদর মিলেই গড়ে তোলে ইয়াবার রমরমা বাণিজ্য। ইতিপূর্বে এই ইয়াবার চালান খালাস করতে গিয়েই উক্ত সহোদর সীমান্ত রক্ষী বিজিবি জওয়ানদের ধাওয়ায় পালাতে বাধ্য হয়। এখন পুলিশের হাত থেকে রেজাই পেতে পালিয়ে বেড়ালেও দিনের বেলায় তাদের দাপটে এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। গত ১৫/২০ দিন আগে এই চক্রের ইয়াবার চালান বহনে অস্বীকৃতি জানানোয় একই এলাকার আবুল কাশেমের পুত্র জসিমকে চুরিকাঘাত করে। নজির আহমদের পুত্র আকতার হোসাইন প্রকাশ কালাপুতু, হাজী রহমত আমিনের মেয়ে জুবাইদা বাঁধা দিয়ে কোন প্রকারে রক্ষা করে। তাদের বাড়ি ৬নং ওয়ার্ডে হলেও এখন ৭নং ওয়ার্ডের রঙ্গিখালী লামার পাড়ায় ইয়াবার টাকায় টিন শেড বিল্ডিং করে বসবাস করে আসছে। এখন তারা ইয়াবা চোরাচালানে সংশ্লিষ্ট রয়েছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ এই চক্রের বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। এই ব্যাপারে অভিযুক্ত দেলোয়ারের নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই ব্যাপারে জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার অফির্সাস ইনচার্জ মোঃ মাইন উদ্দিন জানান, মাদক চোরাচালানে জড়িতদের কোন প্রকারে রেহাই দেওয়া হবেনা। ভূক্তভোগী জনসাধারণ এই ব্যাপারে তদন্ত স্বাপেক্ষে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্র আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শেয়ার করুন