মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

উখিয়ায় সহস্রাধিক ছাত্রছাত্রী উপবৃত্তি পাচ্ছে না

শেয়ার করুন

shomoy
উখিয়ার ৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সহস্রাধিক ছাত্রছাত্রী উপবৃত্তির টাকা পাচ্ছে না ২ বছর ধরে। হতদরিদ্র এলাকা অধ্যুষিত ওইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপবৃত্তির টাকা বরাদ্ধের জন্য সংশি¬ষ্ট প্রধান শিক্ষক স্বাক্ষরিত আবেদন প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা সত্ত্বেও কোন কাজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকেরা বলছেন, অন্য ৭০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা উপবৃত্তির টাকা পেলেও তাদের স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা উপবৃত্তি বঞ্চিত হওয়ার ফলে ছাত্রছাত্রীরা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছে। এতে পড়ালেখা ব্যাহত হওয়ার আশংকা রয়েছে। বিদ্যালয়গুলো হচ্ছে নুরুল ইসলাম চৌধুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জালিয়াপালং আব্দুর রহমান বদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলদিয়াপালং ছালে বুলবুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাঙ্গরঘোনা অরবিন্দু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
জানা গেছে, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৩ মূলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যালয় বিহীত গ্রামে ১৫শ’ প্রাথমিক বিদ্যালয় নিমার্ণ প্রকল্পের আওতায় ২০১৪ সালে ওই ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। হাঙ্গরঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার মোজাম্মেল হক আজাদ জানান, কোমলমতি শিশুরা উপবৃত্তির টাকা পেলে পড়ালেখার প্রতি উৎসাহিত হয়। এতে স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বেড়ে যায় এবং ঝড়ে পড়া ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে কমে যায়। তিনি বলেন, তার স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা উপবৃত্তি বঞ্চিত হওয়ার কারণে কঁচিকাঁচা ছাত্রছাত্রীরা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছে। নুরুল ইসলাম চৌধুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আলী জানান, উপবৃত্তির টাকা বরাদ্ধের জন্য প্রকল্প পরিচালক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে শুরু করে প্রশাসনের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ে আবেদন নিবেদন করেও কোন কাজ হচ্ছে না। এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাফ্ফর আহমদ জানান, ওই চারটি স্কুলে উপবৃত্তি পাওয়ার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে একটু ধীর গতিতে এগোচ্ছে। এতে বিচলিত হওয়ার কোন কারণ নেই।

শেয়ার করুন