১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৩ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৭ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প

ত্রাণ জব্দ : জরিমানা আদায়

উখিয়ায় গোপনে ত্রাণ বিতরণ কালে রোহিঙ্গাসহ আটক-৬

বিশেষ প্রতিবেদক: জেলা প্রশাসন ব্যতিত বিচ্ছিন্ন ভাবে ত্রাণ বিতরণকারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত জানানোর এক দিনের মাথায় কক্সবাজারের উখিয়ার রত্মপালং রুহুল্লার ডেবা মাদ্রাসায় রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে ৪ রোহিঙ্গা ও ২ বাংলাদেশীসহ ৬ জনকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বিতরণের জন্য আনা ২শ’ ৪৮ প্যাকেট ত্রাণও জব্দ করা হয়েছে।
পরে ভ্রম্যমান আদালতের মাধ্যমে আটককৃতদের ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আটককৃতরা হলেন ঢাকার ৭৯ নং সূত্রপুর এলাকার মোহাম্মদ সেন্টুর ছেলে মো. আসিফ (২২), উখিয়ার পশ্চিম রতœাপালং এলাকার ফরিদ আহমদের ছেলে ইকবাল হোসেন (৩২), কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের মৃত লাল মোহাম্মদের ছেলে আমির হোসেন (৫২), মৃত মকবুল আহমদের ছেলে নুরুল ইসলাম (৬০), ইয়াকুব আলীর ছেলে ছৈয়দুল আমিন (৫১) ও আবুল খায়েরের ছেলে শামশুল আলম (৪৮)।
আটকদের মাঝে আসিফকে ৩ হাজার ও ইকবাল হোসেনকে ৭ হাজার টাকা এবং বাকি আটক রোহিঙ্গাদের প্রত্যেককে এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

ইউএনও নিকারুজ্জামান জানান, রতœাপালং ইউনিয়নের রুহুল্লার ডেবা মাদ্রাসায় রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় ২শ’ ৪৮ প্যাকেট ত্রাণসহ ৬ জনকে আটক করি। তাদের মধ্যে ২ জন বাংলাদেশী ও ৪ জন রোহিঙ্গা। প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ও ক্যাম্পের বাইরে ত্রাণ বিতরণের অভিযোগে তাদেরকে ভ্রম্যমান আদালতের মাধ্যমে শাস্তি দেয়ার পর স্থানীয় চেয়ারম্যানের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধার করা ত্রাণ আমাদের কন্ট্রোল রুমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে এসব ত্রাণ রোহিঙ্গাদের মাঝে বিতরণ করা হবে।

ইউএনও আরো বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুটি একটি আন্তর্জাতিক বিষয়। তাই সরকারের পক্ষ থেকে সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে সমন্বয় করা হচ্ছে। এ অবস্থায় কেউ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের অনুমতির বাইরে ত্রাণ দিলে তার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসনের সাথে এনজিও সমন্বয় সভায় উপস্থিত সকলকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নিতে অনুরোধ জানান জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত মতে আজকের (শুক্রবারের) অভিযান চালানো হয়।

রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খাইরুল আমিন চৌধুরী বলেন, আটকের পর তাদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।