১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৩০ মাঘ, ১৪৩২ | ২৪ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প

উখিয়ায় কালবৈশাখীর ছোবলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

কালবৈশাখীর তান্ডবে কক্সবাজারের উখিয়ার বিভিন্ন স্থানে শতাধিক ঘর-বাড়ি, পানের বরজ, ক্ষেত খামার সহ বোরো পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সে সাথে ভারী বৃষ্টি ও হালকা-মাঝারি ধমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ার কারণে কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের বস্তির ঝুপড়িসহ কাচা-পাকা ঘর বাড়ি বিধস্ত হয়েছে। এছাড়া হালকা ঝড়ো হাওয়া-বৃষ্টিতে আম, লিচু, তরমুজ, ভাঙ্গি সহ মৌসুমী ফল-ফলাদি নষ্ট হয়ে প্রান্থিক চাষীরা আর্থিক ভাবে ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে। বাতাসের প্রবল বেগে বসত বাড়ির ছাউনী উড়ে গিয়ে অনেকেই খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিনযাপন করছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা ঘুরে স্থানীয় গ্রামবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ক্ষনিকের জন্য ধেয়ে আসা ঘুর্ণিঝড় উখিয়ার রাজাপালং, জালিয়াপালং ও পালংখালী ইউনিয়নের ফারির বিল আলিম মাদ্রাসার একটি সেমিপাকা ভবনের কিছু অংশের ছাউনী উড়ে যাওয়ায় বৃষ্টির পানিতে ক্লাস রুম কাঁদাময় হয়ে উঠে। পরিচালনা কমিটির সভাপতি এম.এ মনজুর জানান, মাদ্রাসার ছাউনী উড়ে যাওয়ার কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা-পড়া ব্যহত হচ্ছে। মাদ্রাসার পার্শ্বস্থ ক্ষতিগ্রস্থ বসত বাড়ি ঘুরে ক্ষতিগ্রস্থ আবদুল গফুর (৪৫) জানান, গত ২ মাস যাবত ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তাকে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে হচ্ছে। এমতাবস্থায়, মঙ্গলবার মধ্য রাতে বয়ে যাওয়া ঘুর্ণিঝড়ে তার বসত বাড়ির ছাউনী উড়ে যাওয়ায় তাকে ছেলেমেয়ে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন যাপন করতে হচ্ছে।
এদিকে গতকাল সরজমিনে পালংখালী ফারিরবিল আলিম মাদ্রাসা পরিদর্শনকালে স্থানীয় অভিভাবক, ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকগণ মাদ্রাসার এ দুর্যোগকালে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জমির উদ্দিনের অনুপস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এব্যাপারে মাওলানা জমির উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। জালিয়াপালং ও রাজাপালং ইউনিয়নের বেশ কিছু স্থানে কালবৈশাখী ছোবলে বেশ কিছু কাঁচা ঘর-বাড়ি চালা উপড়ে গেছে। গাছ-পালা ভেঙ্গে গেছে। পাঁকা বেরো ধানের ক্ষেতের অনেকটা ক্ষতি হয়েছে, পানের বরজ সহ মৌসূমী ফল-ফলাদির ক্ষতি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিল্লোল বিশ্বাস বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়টি তার জানা নেই।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।