৮ মার্চ, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৮ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

ইয়াবা ব্যবসা করে হাজী গাজীরাও রেহাই পাবে না -পুলিশ সুপার মাসুদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ইয়াবা ব্যবসা করে হাজী গাজীরাও রেহাই পাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন।

তিনি বলেন, বড় ছোট বলে কথা নয়, কোন ইয়াবা কারবারির রেহাই মিলবে না। ক্রমান্বয়ে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। ইয়াবায় অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শুক্রবার (৩১মে) বিকালে টেকনাফ উপজেলাধীন বাহারছড়া ইউনিয়নের মাদক নির্মুল ও প্রতিরোধ কমিটির কার্যালয় উদ্বোধনকালে এবিএম মাসুদ হোসেন কথাগুলো বলেছেন।
তিনি বলেন, সমাজে অনেক মুখোশধারী ইয়াবা ব্যবসায়ী রয়েছে। সবার মুখোশ খুলে দেয়া হবে। চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে তারা রেহাই পাবেনা। কোনো জনপ্রতিনিধির আশ্রয়ে ঘরের পাশে বা এলাকাতে কোনো মাদক কারবারী থাকলে; মাদক ব্যবসা করলে, সেই জনপ্রতিনিধিদেরও কঠোরভাবে আইনের আওতায় আনা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইকবাল হোসাইন, উখিয়া টেকনাফ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়ান, জেলা ডিএসবি শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম।
পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা,ও স্থানীয় মাদক বিরুধী জনসাধারণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার বলেন, সারা দেশে মাদকের জন্য টেকনাফের একটি বদনাম রয়েছে। সবার সহযোগিতায় এই বদনাম থেকে আমাদের মুক্তি পেতে হবে। বর্তমান সময়ে টেকনাফে এই মাদক ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। তা বুঝা যায় এই বারের এসএসসি পরীক্ষায় টেকনাফের ফলাফল দেখে। কারণ কক্সবাজার শহরে অবস্থিত একটি নরমাল উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ ৫ এর সংখ্যা ৭টি। কিন্তু পুরো টেকনাফে এর সংখ্যাও মাত্র ৭টি। এ থেকে উত্তরণে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।
তিনি মাদক নির্মুল কমিটির সদস্যদের উদ্দশ্যে বলেন, আপনারা মাদক নির্মূলে কাজ করেন। আপনাদের সব ধরনের সহযোগিতা দেব। মাদকের সাথে জড়িত কোনো ব্যক্তি এই কমিটির সাথে যুক্ত থাকতে পারবেনা।
এদিকে, মাদক বিরোধী কমিটির শুরু থেকে কয়েকজন বিতর্কিত ব্যক্তি থাকলেও পুলিশ সুপারের অনুষ্ঠান স্থলে তাদের দেখা যায়নি।
এই ব্যাপারে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সঠিক যাচাইয়ের মাধ্যমে ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিদের নিয়ে মাদক নির্মুল ও মাদক প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হবে। এখানে কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিদের স্থান হবেনা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।