মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

আরও ২৫০টি পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দিলেন কুতুবদিয়ার ওসি

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নভেল করোনা ভাইরাস সঙ্কটে কক্সবাজার জেলা জুড়ে চলছে অঘোষিত লকডাউন। সরকারি ছুটির পাশপাশি লকডাউনের কবলে কর্মহীন হয়ে পড়েছে কুতুবদিয়া দ্বীপের শ্রমজীবী মানুষও। খাদ্য সঙ্কটে রয়েছে দিনমজুর ও দরিদ্র মানুষরা। এসব মানুষের মুখে খাবার তুলে দিতে ধনবান মানুষের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছে থানা পুলিশ।

কুতুবদিয়া বড়ঘোপ এলাকার নতুনভাবে আরও ২৫০টি পরিবারের মধ্যে কুতুবদিয়া থানা পুলিশ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

জানা যায়, হোটেল সমুদ্র বিলাস কতৃপক্ষ এর সার্বিক সহযোগিতায় পবিত্র রমজান মাসে করোনা সঙ্কট মোকাবেলায় (২৫ এপ্রিল) দুপুরে এসব খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে।

এর আগে কুতবদিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উপজেলার একাধিক ইউনিয়নের প্রায় দেড় হাজারেরও অধিক দরিদ্র মানুষের ঘরে ঘরে ওসি মো. দিদারুল ফেরদৌস নিজেই খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন। পাড়া-মহল্লার যেসব দরিদ্র মানুষ আসতে পারেননি তাদের আবার ওসি রাতের আধারেই থানা পুলিশের সহায়তায় বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন।

কুতুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিদারুল ফেরদৌস বলেন, ‘কক্সবাজার পুলিশ সুপারের সার্বিক নির্দেশনায় প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে নিজেই খাদ্য বিতরণ করে যাচ্ছি। একেক দিন একেক স্থানে গিয়ে কর্মহীন দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করে থাকি।’ এছাড়া এ পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছি।’

ওসি ফেরদৌস আরো বলেন, ‘যখন খাবার নিয়ে মানুষের কাছে যাই। তখন বোঝা যায় অনেক মানুষ অনাহারে আছে। বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে দরিদ্রদের মাঝে সামান্য হলেও এই খাদ্য পেয়ে তারা খুব খুশি হয়। এই সঙ্কটের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দরিদ্রদের জন্য কুতুবদিয়া থানার পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তার এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে (ইনশাল্লাহ)।’

শেয়ার করুন