১২ মার্চ, ২০২৬ | ২৭ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২২ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

আফতাবনগরে দুই মানবপাচারকারী আটক; ১৩রোহিঙ্গা নারী উদ্ধার

রাজধানীর রামপুরা আফতাবনগর এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ পাসপোর্ট, ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ এবং পাসপোর্টের ফরম উদ্ধারসহ মানবপাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৩)। এ সময় ১৩ রোহিঙ্গা নারীকে উদ্ধার করে র‌্যাব-৩।

রবিবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে আফতানগরের ২ নম্বর রোডের ৪০ নম্বর বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। র‌্যাব-৩-এর স্টাফ অফিসার (অপারেশন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবিএম ফাইজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মানবপাচারকারী চক্রের আটক সদস্যরা হলো কক্সবাজারের মো. কবির আহমেদ (৪০) ও টেকনাফের মো. এমরান (২৮)।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবিএম ফাইজুল ইসলাম জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মানবপাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকে আটক করা হয়। তারা রোহিঙ্গা নারীদের মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে আফতাবনগর এলাকার এই বাসায় রেখেছিল। এর জন্য পাচারকারী কবির সাত মাস আগেই এই বাসাটি ভাড়া নিয়েছিল। এই চক্রের সদস্যরা রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে নারীদের সংগ্রহ করে বিভিন্নভাবে ঢাকার এই বাসায় নিয়ে আসে।

তিনি জানান, এ চক্রের অন্য পলাতক সদস্য হাবিব ও আটক এমরান পাসপোর্ট অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের সহযোগিতা নিয়ে রোহিঙ্গা নারীদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট তৈরি করে। তাদের জন্য মালয়েশিয়া, দুবাইসহ অন্য কিছু দেশের ভিসা সংগ্রহও করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আসামিরা জানায়, রোহিঙ্গা এসব নারীকে আন্তর্জাতিক পাচারকারী চক্রের কাছে চড়ামূল্যে বিক্রি করার চেষ্টায় ছিল আটককারীরা। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়াও চক্রের বাকি সদস্যদের আটকের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

উদ্ধার করা রোহিঙ্গা নারীদের ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।