মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

অপরাধপ্রবণ এলাকায় গিয়ে সমস্যার সমাধান দিতে চান রামুর নবাগত ওসি

শেয়ার করুন

হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী: নিজ কক্ষ থেকে বেরিয়ে অপরাধ প্রবণ ও প্রান্তিক এলাকায়  যেতে চান রামু থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের।
শনিবার (২০ জুলাই) সকালে ওসি মো. আবুল খায়ের মুঠোফোনে বলেন, ‘পুলিশকে সত্যিকার অর্থে জনগণের বন্ধু হতে হবে- যাতে মানুষ আস্তা রাখতে পারেন। রামুর এগার ইউনিয়নের মধ্যে ঈদগড় ও গর্জনিয়ার বড়বিল ক্রাইমজোন হিসাবে পরিচিত। এসব অপরাধপ্রবণ এলাকায় মাসে একবার হলেও গিয়ে সাধারণ মানুষের কথা শুনবো। তাৎক্ষণিকভাবে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) গ্রহণ, আইনি সমাধান, এলাকায় অপরাধ দমনে সহযোগিতা করতে মানুষকে সচেতন করার  নানা পরিকল্পনা রয়েছে।’
সরকারের ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণে মাদক বিরোধী সাড়াশি অভিযান জোরদার, ডাকাতি-অপহরণসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুরক্ষায় পরিকল্পিত ও পেশাদারিত্বের সাথে সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ও জানালেন নবাগত ওসি।
গত ১৮ জুলাই ওসি মো. আবুল খায়ের আনুষ্ঠানিকভাবে রামু থানায় যোগদান করেন। এর আগে তিনি উখিয়া থানার ওসি হিসাবে কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ওসি আবুল খায়ের উখিয়া থানায় থাকাকালে রোহিঙ্গা শরনার্থী সমস্যা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ব্যবস্থাপনা করেন। উখিয়া উপজেলার আইনশৃঙ্খলা সুরক্ষা ও ইয়াবা বিরোধী অভিযানেও তিনি রেখেছেন সাফল্যের স্বাক্ষর। উখিয়ার আগে তিনি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় কর্মরত ছিলেন। সেই সময় পাহাড়ি ছড়া থেকে নিজেই এক শিশুর লাশ উদ্ধার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।

শেয়ার করুন