মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

অনুমতি ছাড়া সরকারি ভবন বিক্রি করল মহিলা মেম্বার

শেয়ার করুন

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ কোনার পাড়ায় ৪৫ বছরের পুরাতন সরকারী
ভবন ভেঙে বিক্রি করার অভিযোগ ওঠেছে এক জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি হচ্ছেন শাহপরীরদ্বীপের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য
ছেনোওয়ারা বেগম।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবক জানান, এর আগেও এক কালভার্ট নির্মাণ নিয়ে নানা অভিযোগ ছিল ছেনোওয়ার বিরুদ্ধে। ইট, লোহা বিক্রি করছে জনসম্মুখে তবে কেউ বলতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সব জানে বলে ক্ষমতার প্রভাব খাটাই।এর বিরুদ্ধে বয়স্ক ভাতার কার্ড নিয়ে অভিযোগ আছে। আমরা এই রকম দুর্নীতি বাজ জনপ্রতিনিধি চাই না।

জানা যায়, শাহপরীর দ্বীপ কোনার পাড়ায় পুকুর সংলগ্ন সরকারি টিএন্ডটি অফিসের একতলা একটি পাকা ভবন ছিল। প্রায় ৪৫ বছর আগে নির্মিত এ ভবনটিতে টিএন্ডটি অফিস বন্ধ হওয়ায় কোনা পাড়ার এক ভূমিহীন মহিলা তিন সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। কিন্তু ভবনটি জরাজীর্ণ না হওয়া সত্বেও সরকারের অনুমতি না নিয়ে মহিলা মেম্বার ছেনোয়ারা দিনমজুর দিয়ে ভবনটি ভেঙে ফেলেন। শুধু তাই নয়, নিজের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ভবনটি ভেঙে সব মালামাল বিক্রি করে দেন। এ খাতে মহিলা মেম্বার মালামাল বিক্রি করে সরকারের দেড় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের সম্পদ আত্মসাৎ করেছেন।

ভবনটি ভাঙ্গার সময় মহিলা মেম্বার উপস্থিত লোকজনকে জানিয়েছেন, তিনি সেটি ভাঙ্গার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট থেকে অনুমতি নিয়েছেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্নজনকে ইউএনও থেকে ৩০ হাজার টাকায় নিলাম নিয়েছেন বলেও মিথ্যাচার করেন।

অভিযুক্ত মহিলা সদস্য ছেনোওয়ারা বলেন, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আমি ভাঙার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থেকে অনুমতি নিয়েছি। আমি এই ভবনের কোন কিছু বিক্রি করি নাই বলে অস্বীকার করেন।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভেজ চৌধুরী বলেন, সরকারী কোন স্থাপনা ভাঙ্গতে হলে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে নিলামের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। আমি চাইলেতো কাউকে অনুমতি দিতে পারিনা। তবে যদি কেউ আইন অমান্য করে গায়ের জোরে কিছু করে থাকে- তাহলে তার বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন