৪ মার্চ, ২০২৬ | ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৪ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

১১৬ যাত্রীবাহী মিয়ানমারের বিমানটি আন্দামান সাগরে বিধ্বস

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ১১৬ আরোহীবাহী বিমানটির ধ্বংসাবশেষ আন্দামান সাগরে পাওয়া গেছে। স্থানীয় এক কর্মকর্তা ও দেশটির বিমানবাহিনীর একটি সূত্র বার্তাসংস্থা এএফপিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বুধবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের মিয়েক শহর থেকে রাজধানী ইয়াঙ্গুনের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর পর পরই বিমানটি নিখোঁজ হয়। সেনাপ্রধানের কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্নের সময় সেনাবাহিনীর ওই বিমান দাওয়েই শহরের ২০ মাইল পশ্চিমের আকাশে ছিল।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আন্দামান সাগরের ওপর দিয়ে উড়তে থাকা বিমানটি নিখোঁজের পরপরই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। সাগরে জাহাজ মোতায়েনের পাশাপাশি বিমান থেকেও বিমানের খোঁজে অনুসন্ধান চলছে।

ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরের একটি সূত্র বলছে, উড্ডয়নের সময় বিমানটিতে ১০৫ যাত্রী ও ১১ ক্রু ছিলেন। বিমানটির অধিকাংশ যাত্রীই দেশটির উপকূলবর্তী অঞ্চলের সেনা পরিবারের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে। বার্তাসংস্থা এএফপিকে ওই সূত্র জানিয়েছে, আমাদের ধারণা যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

সূত্র- জাগোনিউজ

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।