মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

হাফেজখানা ও এতিমখানার ৮৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিনিধি:
কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের হাজিপাড়া এলাকায় একটি হাফেজখানা ও এতিমখানার নিজস্ব অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ওই এলাকার দানশীল ব্যক্তি মরহুম হাজি এজাহার মিয়া নিজস্ব জমি দান করে এই হাফেজখানা ও এতিমখানাটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। আর ওই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনার নামে তাঁর পুত্র রফিকুল আলম মিয়া এসব অর্থ আত্মসাত করেছে বলে প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।
হাজিপাড়া এলাকায় মোহাম্মদিয়া হাফেজখানা ও এতিমখানাটি প্রতিষ্ঠার সময় প্রতিষ্ঠানটিকে ২৪ কানি জমি দান করেন মরহুম হাজি এজাহার মিয়া। ওই জমির কিছু অংশ সম্প্রতি রেললাইনের জন্য অধিগ্রহণ হয়েছে। যার অনুকুলে ৮৮ লাখ টাকা উত্তোলন করেন রফিকুল আলম মিয়া। যে টাকা প্রতিষ্ঠানটির নামে ওয়ান ব্যাংকের একটি একাউন্ট থেকে উত্তোলন করেন রফিকুল। কিছু এই টাকার কোনভাবেই প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নের জন্য ব্যয় করা হয়নি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে পুরো টাকাই আত্মসাত করেছেন রফিকুল। এব্যাপারে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় জড়িতরা একাধিকবার বৈঠক করলেও তিনি বৈঠকে উপস্থিত হন না।
প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ প্রতিষ্ঠানের জমির বার্ষিক লাগিয়েত বাবদ অর্থ, বাগান থেকে সুপারী সহ অন্য বিক্রির টাকাও তিনি আত্মসাত করে আসছেন। ফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাক ও শিক্ষার্থীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
এবিষয়ে অভিযুক্ত রফিকুল আলম মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, যে সব অভিযোগ বলা হচ্ছে তা সত্য নয়। হাফেজখানা ও এতিমখানা নিয়ম মতে পরিচালিত হচ্ছে। একটি মহল মিথ্যা অভিযোগ গুলো বলে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

শেয়ার করুন