মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

হরতাল সমর্থনে কক্সবাজার শহর জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

শেয়ার করুন

07042015

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে হত্যার সরকারী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ঘোষিত দুই দিন হরতালের প্রথমদিন, হরতাল সমর্থনে দিনব্যাপী পিকেটিং ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে কক্সবাজার শহর জামায়াত।
৭ এপ্রিল মঙ্গলবার শহর জামায়াত-শিবির নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে শহরের লালদীঘির পাড়, বাজারঘাটা, আলিরজাঁহান, বাসটার্মিনাল এলাকায় পিকেটিং, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে জামায়াত-শিবির নেতা-কর্মীরা।
এসব সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, সরকার জনাব মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে অন্যায়ভাবে হত্যা করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চায়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলার পরিবর্তে হত্যা করে দেশকে রাজনীতি শূন্য করার পরিণতি কখনো কারো জন্য শুভ হয় না। বর্তমান সরকারের জন্যও তা কখনো শুভ হবে না। বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে জামায়াতে ইসলামীকে নিশ্চিন্ন করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত সরকারের এটি একটি অন্যতম ষড়যন্ত্র। সরকার জামায়াত নেতৃবৃন্দদের পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যেই মুলত মিথ্যা, সাজানো ও বায়বীয় অভিযোগের ভিত্তিতে সরকার জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এটা ইতিহাসের এক ন্যাক্যারজনক ও জঘন্য ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়। দলীয় লোকদের দ্বারা মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করিয়ে তার বিরুদ্ধে হত্যার রায় বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চালিয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৯৭১ সালে মুহাম্মদ কামারুজ্জামান উচ্চমাধ্যমিক শ্রেনির এক ছাত্র ছিলেন। একজন তরুনের পক্ষে এ ধরনের হত্যাকান্ড চালানো সম্ভব নয় সেটা এক সাধারণ মানুষও আজ বুঝতে পেরেছে। মুলত জামায়াতে ইসলামীকে নেতৃত্বশুণ্য করার গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দদের হত্যার লক্ষেই এসব কাল্পনিক অভিযোগ উত্থাপন করেছে। জনাব মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে হত্যা করার সরকারের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার জন্য দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

শেয়ার করুন