মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

সৈকত পরিচ্ছন্নতায় অংশ নিলো ৬০০ স্কাউট

শেয়ার করুন

সমুদ্র সৈকতের পরিচ্ছনতায় অংশ নিলো কক্সবাজার জেলার ৬০০ স্কাউট। জেলা স্কাউট সমাবেশের অংশ হিসেবে এক পরিচ্ছনতা অভিযানে এই স্কাউটেরা বুধবার বেলা সাড়ে ৩ টায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্নতা কাজে অংশ নেন। জেলা প্রশাসন ও বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার রুহুল আমীন। সৈকতের লাবণী পয়েন্টে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কাজী আবদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাইফুল ইসলাম মজুমদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আনোয়ারুল নাসের, ট্যুরিস্ট পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিভাগীয় কশিনার রুহুল আমীন বলেন, ‘কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের অনেক মানুষ এই সৈকতকে চেনেন। তাইতো অনেকে ছুটে আসেন এই সৈকতে। এই কারণে কক্সবাজারের এই সৈকতের সব কার্যক্রমের মধ্যে সবার আগে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। স্কাউটেরা যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাচ্ছে তা অবশ্যই মহৎ ও অনুকরণীয় উদ্যোগ। তাদেরকে অনুকরণ করে সকল মানুষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালালে এই সৈকত স্বমহীমায় বিশ্বের কাছে তার পরিচয় ধরে রাখতে সক্ষম হবে।’


জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, ‘কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে এক সঙ্গে এত শিক্ষার্থীর অংশ নেয়া বিরল। স্কাউটদের এই প্রশংসনী উদ্যোগকে আন্তরিক সাধুবাদ জানাচ্ছি। সৈকতে এই রকম একটি বড় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো আমাদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ছিলো। স্কাউটেরা আমাদের পরিকল্পনাকে বাস্তবায়নের সুযোগ করে দিলো। এই অনুপ্রেরণা থেকে আমরা আগামীতে আরো পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়ে সৈকতের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে বেগবান রাখবো। এর ফলে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত তার মাধুর্য্য ধরে রাখতে সক্ষম হবে।’
জেলা স্কাউটটের সহকারী কমিশনার বিপ্লব কান্তি দে জানান, জেলা স্কাউটের চারদিন ব্যাপী সমাবেশ চলছে। এই সমাবেশের অংশ হিসেবে সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযান করা হয়েছে। অভিযানে আট উপজেলার ৫৫ টি বিদ্যালয়ের ৬০০ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম স্কাউটের অন্যতম অংশ বলে জানান তিনি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কাজী আবদুর রহমান জানান, স্কাউটদের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সৈকতের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও বীচকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের লোকজনও অংশ নেন। সৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্ট গিয়ে অভিযানটি সফলভাবে শেষ হয়।

শেয়ার করুন