মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ থামছেনা;গড়ে উঠছে নতুন বস্তি

শেয়ার করুন


প্রতিবেশী মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকায় রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান ও কতিপয় রাখাইন স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলা অব্যাহত রয়েছে। তাদের হামলায় গুলিবিদ্ধ অনুপ্রবেশকারী এক রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশ সীমান্তে মারা গেছে। রোহিঙ্গাদের উপর হামলাযজ্ঞ অব্যাহত থাকায় বাংলাদেশ সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ থামানো যাচ্ছেনা। এই কারণে বাংলাদেশ সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে নতুন করে গজিয়ে উঠছে রোহিঙ্গা ব¯িত।
জানা যায়-১৯ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯টারদিকে টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা বস্তির এ-ব্লকের ১০৬নং রোমে মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মন্ডু থানার মাংগালার মৃত ছৈয়দুল আমিনের পুত্র গুলিবিদ্ধ মোঃ শাহ আলম (৪৫) ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে সে মিয়ানমারে নিজগ্রামে ৪দিন বয়সের  ছেলেসহ  ২ছেলে,৬মেয়ে এবং স্ত্রী মাজুমাকে রেখে চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশে আসে বলে বোন রমিদা নিশ্চিত করেন। মৃত শাহ আলমের সঙ্গে আসা এক বোন ফাতেমা বেগম জানায় গত ১৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টারদিকে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও স্বশস্ত্র রাখাইন সন্ত্রাসীরা মাংগালা গ্রামটি ঘিরে ফেলে। লোকজন ভয়ে বাড়ির ভেতরে প্রাণরক্ষার্থে লুকিয়ে থাকে। তাদের বেরিয়ে আসতে বললে ভয়ে কেউ আসেনি। যৌথবাহিনী সামনের দিকে অগ্রসর হলে প্রাণ রক্ষার্থে শাহ আলম জঙ্গলের দিকে পালাতে চাইলে তারা গুলিবর্ষন করে। এসময় একটি বুলেট শাহ আলমের বাম হাত ঘেঁষেই পাজরে বিদ্ধ হলে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তারা দীর্ঘক্ষণ ঘিরে থাকায় চিকিৎসার জন্য কোথাও নিয়ে যেতে পারেনি। রাত গভীর হলে সেনাবাহিনী ও রাখাইন সন্ত্রাসীরা চলে গেলে শাহ আলমকে প্রাণে রক্ষার্থে একটি নৌকায় করে তারা ৪/৫জন দমদমিয়া সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে একটি সিএনজিযোগে লেদা এ-ব্লকের ১০৬নং রোমে বোন রমিদার বাড়িতে অবস্থান করে ডাক্তারের নিকট যাওয়ার প্রস্তুতিকালে মৃত্যুবরণ করেন। এই খবর নেতৃত্ব স্থানীয় ব্যক্তিরা অবগত হলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করে। সরকারের বিশ্বস্থ সুত্র গুলিবিদ্ধ অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা ব্যক্তির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এই মৃত্যু সংবাদ পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার এসআই মোঃ আব্দুল গোফরান বিকাল ৪টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ পোস্টমর্টেমের জন্য নিয়ে যায়।
এদিকে চলতি বছরের গত ৯অক্টোবর হতে অদ্যবধি মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও স্বশস্ত্র কতিপয় রাখাইন সন্ত্রাসীদের অব্যাহত হামলা এবং জ্বালাও-পোড়াওর কারণে বাংলাদেশের শাহপরীরদ্বীপ হতে উলুবনিয়া ছাড়াও বিভিন্ন পয়েন্ট হতে নির্যাতিত-নিপীড়িত রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ,শিশু অনুপ্রবেশ অব্যাহত থাকায় লোকালয় ও ভাড়াবাসায় তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। তাই বিভিন্ন স্থানে নতুন করে রোহিঙ্গা বস্তি গড়ে উঠতে দেখা গেছে। ###

শেয়ার করুন