১ আগস্ট, ২০২৬ | ১৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৭ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী

সরকারি হজ কোটা পূরণে উপায় খুঁজছে মন্ত্রণালয়

সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার হজযাত্রীর নির্ধারিত পূর্ণাঙ্গ কোটা পূরণের উপায় খুঁজছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

চলতি বছর সৌদি সরকার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ১৭ হাজার ১৯৮ জনসহ মোট এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনকে পবিত্র হজ পালনের জন্য অনুমতি দেয়।

ইতোমধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পূর্ণাঙ্গ কোটা পূরণ হলেও সরকারি ১০ হাজার কোটার মধ্যে এখনও প্রায় পাঁচ হাজার ৮০০ কোটা শূন্য রয়ে গেছে। দফায় দফায় নিবন্ধনের জন্য সময়সীমা বৃদ্ধি করেও এ কোটা পূরণ করা যায়নি।

সর্বশেষ সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধনের জন্য আগামী ১৫ মে পর্যন্ত আরেক দফা সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

গত ৭ মে এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আবুল হাসান স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের বরাত দিয়ে জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত ১০ হাজার কোটার মধ্যে এখনও প্রায় পাঁচ হাজার ৮০০টি কোটা নিবন্ধন হয়নি।

অপূরণকৃত ওই কোটা পূরণ করে কি উপায়ে হজগমনেচ্ছুদের পাঠানো যায় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট শীর্ষ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলার মতো সময় এখনও আসেনি বলে তিনি জানান।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মন্ত্রণালয়ের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, সরকারিভাবে এখনও লোক পাঠানোর সুযোগ রয়েছে। সৌদি সরকারের ই-হজ পদ্ধতিতে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধনকৃত হজযাত্রীদের বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত (হজ এজেন্সির নাম, মোয়াল্লেম, হজযাত্রীর নাম, পাসপোর্ট ইত্যাদি) পাঠাতে হয়। কিন্তু সরকারি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত পাঠাতে হয় না। সেক্ষেত্রে নির্ধারিত কোটা অপূর্ণ থাকায় তা পূরণ করার সুযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, ধর্ম মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তারা কীভাবে সরকারি কোটা পূরণ করা যায় তা নিয়ে কাজ করছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।