৩ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১৯ পৌষ, ১৪৩২ | ১৩ রজব, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সিবিআইউ ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে   ●  উখিয়া–নাইক্ষংছড়িতে আলোচিত মাদক ও জাল টাকা মামলার সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্য প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন   ●  আ.লীগের বদি’র ক্যাশিয়ার দশবছর পর ফিরলেন বিএনপিতে   ●  অসহায় শিশুদের জন্য শীতকালীন বস্ত্র উপহার দিল স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম   ●  মানবিক কাজে বিশেষ অবদান; হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা প্রদান   ●  দুই দিন ধরে নিখোঁজ প্রবাল নিউজের প্রতিবেদক জুয়েল হাসান, থানায় জিডি   ●  গ্রামে গ্রামে আনন্দের স্রোত   ●  সিবিআইউ’র আইন বিভাগের ১৭তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন   ●  ক্ষোভ থেকে হত্যার ছক আঁকেন অপরাধী চক্র   ●  রামুর ধোয়াপালংয়ে পোল্ট্রি ব্যবসায়ী অপহরণ : ৩ লাখ টাকা ও মোবাইল লুট

সওজের কর্মকান্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন! বৈধ জমিতে স্থাপনা নির্মাণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি


প্রবাসী পরিবারের ক্রয়কৃত একখন্ড জমিতে ব্যবসায়িক স্থাপনা নির্মাণ করতে গিয়ে ওই পরিবারের সদস্যরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, চকরিয়া পৌরসভার কাহারিয়াঘোনা এলাকার প্রবাসী মঈনুদ্দিনের পরিবারের সদস্যরা বেশক’বছর আগে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চিরিংগাস্থ পুরাতন বাস ষ্টেশন সংলগ্ন এলাকার খতিয়ানভূক্ত ১৩ শতক জমি ওই এলাকার মৃত মোজাহের আহমদ কোম্পানীর কাছ থেকে ক্রয় করেন। ক্রয়সূত্রে মঈনুদ্দিন গং বৈধ মালিক হয়ে ওই পরিমাণ জমির দখল বুঝে নেয়। পরে এ জমিতে স্থাপনা নির্মাণ শুরু করলে একটি লোভী ও দালাল চক্র ফায়দা লুটের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। ফায়দা লুটতে ব্যর্থ হয়ে ওই চক্র সওজের লোকজনকে ভুল বুঝিয়ে নানা কৌশলে বৈধ ভূমি মালিকদের হয়রানি করে যাচ্ছে।
সূত্র মতে, মঈনুদ্দিন গং এর জমির সাথে লাগোয়া জমিতে ইতিপূর্বে অসংখ্য বহুতল বাণিজ্যিক ভবন বিদ্যমান থাকলেও সওজ কর্তৃপক্ষ এসব জমির দখল নিয়ে কোন ধরণের তৎপরতা চালাচ্ছে না। রহস্যজনক কারণে বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়ে ১৩ শতক জমি কিনলেও ক্রয়সূত্রে প্রবাসী মালিকপক্ষকে ভবন নির্মাণে নানাভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে। প্রবাসী মঈনুদ্দিন পরিবারের সদস্য নুরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আর,এস খতিয়ান নং- ১৯৯, এম,আর,আর খতিয়ান নং- ২০৯, বি,এস খতিয়ান নং- ২৪৯ এর বি,এস দাগ নং- ৬৯৭ দাগের আন্দর ১৩ শতক জমি ক্রয় করে তারা জমাভাগ খতিয়ান সৃজন করে যার নং- ৫২৯। এরপরও রহস্যজনক কারণে নিষ্কণ্ঠক জমিতে স্থাপনা নির্মাণে শুধুমাত্র প্রবাসী পরিবার হওয়ায় অনৈতিক ফায়দা লুটার জন্য হয়রানি করছে বলে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে দাবী করেছেন। বিষয়টি সরেজমিনে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক সংলগ্ন উভয়পাশে অধিগ্রহণকৃত সওজের মূল্যবান জমিতে অবৈধ দখলদারের স্থাপনা নির্মাণ করে পৈতৃক সম্পত্তির মত ভোগ দখল করে গেলেও সওজের কোন মাথাব্যথা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। পক্ষান্তরে, অধিগ্রহণকৃত জমি বাইরে গিয়ে বৈধ ভূমি মালিকদের হয়রানির বিষয়টি বাজারে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।