মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

শতবর্ষী মাদি হাতির মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিবেদকঃ কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ঈদগড় রেঞ্জাধীন বাইশারী বিটের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে শতবর্ষী একটি মাদি হাতির মৃত্যু হয়েছে। ঈদগড়-বাইশারী সড়কের হাজিপাড়া এলাকার পাহাড়ের পাদদেশে বসা অবস্থায় হাতিটির মরদেহটি পায় বনকর্মীরা। শনিবার সকালে নিয়মিত টহলে বের হয়ে মরদেহটি পাওয়া গেলেও কখন হাতিটির মৃত্যু হয়েছে এটি নিশ্চিত করে বলতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা।

বাইশারী বিটের বন কর্মকর্তা মিলন কান্তি মন্ডল জানান, বনকর্মীরা প্রতিদিন সকালে নিয়মিত টহলে বের হন। শনিবার সকাল ৯টার দিকে তিনিসহ টহলে বের হয়ে হাজিরপাড়ার পাহাড়ি এলাকায় গেলে একটি মাদি হাতি পাহাড়ের পাদদেশে সু্যঁড় মাটিতে ঠেষ দিয়ে বসা অবস্থায় দেখতে পায়। কাছে গিয়ে দেখা যায় এটি মৃত। বিষয়টি ঈদগড় রেঞ্জ কর্মকর্তাকে জানানো হলে তিনি উর্ধ্বতন মহলে খবর দেন। পরে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের ভেটেনারী সার্জন ডা. এ বি এম মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘটনা স্থলে আনা হয়। সাথে আসেন কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণও। ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে সেখানেই মরদেহটি মাটিচাপা দেয়া হয়েছে। এলাকার কাছে হাতির মরদেহ পড়ে রয়েছে শুণে নারী-পুরুষ-শিশুরা তা দেখতে ভিড় জমায়।

ঈদগড় রেঞ্জ কর্মকর্তা এমদাদুল হক তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভেটেনারী সার্জন মরদেহটি পরীক্ষা করে প্রাথমিক ধারণায় বলেছেন বার্ধক্য জনিত কারণে দুর্বল হয়ে হাতিটি মারা গেছে। তার শরীরে কোথাও কোন আঘাতের চিহ্ন না থাকায় এমনটি ধারণা করা হচ্ছে। অবয়ব দেখে হাতিটির বয়স শতবছর পার হয়েছে বলে উল্লেখ করে চিকিৎসক বলেছেন, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়া গেলে হাতিটি মারা যাওয়ার মূল কারণ জানা যাবে।

পরিবেশবাদিদের ধারণা নানা কারণে বনজ সম্পদ উজাড় হচ্ছে। ফলে আবাস ও আহার হারাচ্ছে বন্যপ্রাণীরা। গভীর বনে হাজার হাজার একর রাবার বাগান তৈরী করা হলেও বন্য প্রাণীরা এসব বাগানের ধারে কাছেও যায় না। আর বন্যপ্রাণীদের মাঝে হাতি তীব্র খাবার সংকটে ভোগছে। তাই হাতির পাল খাবারের খোঁজে লোকালয়ে হানা দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। এ হাতিটিও সঠিক ভাবে খাবার না পেয়ে দুর্বল হয়ে মারা পড়তে পারে।

শেয়ার করুন