মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

লোকালয়ে অসুস্থ বন্য হাতি: দীর্ঘ ১ সপ্তাহ পার হলেও বন বিভাগের খবর নেই

শেয়ার করুন

pic-ukhiya-29-11-16
টেকনাফের শিলখালী এলাকায় প্রায় ১ সপ্তাহ ধরে একটি অসুস্থ বন্য হাতি লোকালয়ে চলে আসলেও বন বিভাগ ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ কোন খরব জানে না। লোকালয়ে চলে আসা হাতিটি দেখার জন্য স্থানীয় উৎসুক জনতা ভীড় জমিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন গত এক সপ্তাহ পূর্বে বন্য হাতিটি টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শিলখালী এলাকার গেম রিজাভের অধীনে জাহাজপুরা শিলখালী রেঞ্জের আওতাধীন ইকোহেভিটেট (পশু খাদ্যবাগানের) কাছাকাছি পায়ে আঘাত নিয়ে সপ্তাহ ধরে অবস্থান করে গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এখনও নজরে আসেনি। অসহায় অবস্থায় হাতিটি পড়ে থাকতে ও লোকালয়ে গুরা ফিরা করতে দেখে স্থানীয় সচেতন মহলের মাঝে একধরনের আতংক সৃষ্টি হতে দেখা গেছে। বনবিভাগের খামখেয়ালী ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে অবহেলার কারণে হাতিটি দিনে দিনে অসুস্থতাজনিত কারণে অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে তাদের ধারণা। কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র দারুস সালাম নিশান জানান, হাতিটি দীর্ঘ ১ সপ্তাহ ধরে গভীর বনজঙ্গল থেকে লোকালয়ে চলে এসেছে। এলাকার লোকজন হাতির কাছাকাছি গিয়ে ঢিল ছুড়াছুড়ি করলেও পায়ের ব্যাথার কারণে নড়াছড়া করতে পারছে না। টেকনাফ বণ্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ইকো গাইড সাইফুল ইসলাম সাকের হাতিটি লোকালয়ে চলে আসার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাতিটি পায়ে আঘাত পেয়ে কয়েকদিন ধরে অসহায় অবস্থায় লোকালয়ের নিকটে পড়ে রয়েছে। এখনও পর্যন্ত বনবিভাগ কিংবা বন্য প্রাণী সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ হাতিটিকে সুস্থ করার বা চিকিৎসা সেবা দেওয়ার কোন উদ্যোগ নেয়নি। তিনি বন্য প্রাণী অপারাধ দমন বিভাগের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে কক্সবাজার দক্ষিন বন বিভাগের বন সংরক্ষক সরওয়ার আলমের সাতে যোগাযোগ করা হলে তিনি হাতিটি লোকালয়ে চলে আসার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, হাতিটি বন ছেড়ে লোকালয়ে চলে আসার খবর শুনেছি। অনেক সময় হাতির দল থেকে একটি দল ছুটে একা হয়ে গেলে মানষিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে পায়ের আঘাত কিনা সেটা দেখার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে এ প্রতিবেদককে জানান।

শেয়ার করুন