মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

লামায় ইউএনও ও পুলিশের হস্তক্ষেপে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ

শেয়ার করুন

 


বান্দরবানে লামার সদর ইউনিয়নের মেওলারচর এলাকায় এক ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করেন লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিন ওয়ান নু ও লামা থানার পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত ১১টায় কনের বাড়িতে বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পাদনের সময় হাতেনাতে বর কনে সহ তাদের পিতা মাতাকে আটক করে পুলিশ। কনে আসমা আক্তার মেওলারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী। জন্ম নিবন্ধন মতে মেয়ের বয়স ১৫ বছর। বিবাহ করতে আসা বরের নাম মোঃ কবির। সে চাঁদুপর জেলার বাসিন্দা।
জানা গেছে, চাঁদপুর জেলার মতলব থানার কালি আইস এলাকার আব্দু রশিদের এর ছেলে ডুবাই ফেরত মোঃ কবির ২১ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার লামা সদর ইউনিয়নের মেওলার চর এলাকার বসবাসরত আত্মীয় শহীদের বাড়িতে বেড়াতে আসে। মেওলারচর আসলে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী আসমা বেগমের সাথে তার দেখা হয় এবং আত্মীয় স্বজন দিয়ে বিবাহের প্রস্তাব পাঠায়। ডুবাই প্রবাসী ছেলে দেখে ভাল সুযোগ মনে করে মেয়ে পক্ষ সহজে রাজী হয়ে যায়। ২২ ফেব্রুয়ারী বুধবার রাতে বিবাহের আয়োজন করে মেয়ের পরিবার। খবর পেয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিন ওয়ান নু লামা থানা পুলিশকে বিবাহ বন্ধ করে তাদের আটকের নির্দেশ প্রদান করেন। পুলিশ গভীর রাতে অভিযান পরিচালনা করে মেয়ে ছেলের উভয়ের পরিবারের অভিভাবক সহ ৭জনকে আটক করে নিয়ে আসে।
লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিন ওয়ান নু রাতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উভয়ের অভিভাবক ও বর কনের থেকে মুচলেখা নেন। রাতে ছেলে পক্ষের সকলকে পুলিশের হেফাজতে রাখতে নির্দেশ প্রদান করেন এবং মেয়ের নিয়মিত লেখাপড়া চলানোর জন্য স্থানীয় ইউপি মেম্বার সহ মেয়ের মা-বাবাকে নিদের্শ প্রদান করেন। অন্যথায় সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে জানান।

শেয়ার করুন