২১ মার্চ, ২০২৬ | ৭ চৈত্র, ১৪৩২ | ১ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার

লামায় ৫ লাখ চাঁদা না দেয়ায় বিদ্যালয়ের কাজ বন্ধ করে দিল পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা

লামায় ৫ লাখ টাকা চাঁদার দাবীতে পাহাড়িকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ বন্ধ করে দিল পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টায় ইউনিফর্ম পরিহিত অস্ত্রধারী ১৫/২০ জন পাহাড়ি সন্ত্রাসী প্রকাশ্যে এই চাঁদা দাবী করেছে বলে জানায় উন্নয়ন কাজের হেডমিস্ত্রি ফজল হক। এসময় চাঁদাবাজরা নিজেদেরকে জেএসএস গ্রুপের সদস্য বলে দাবী করে।
জানা গেছে, উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড কোলাইক্কা পাড়া অবস্থিত পাহাড়িকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের কাজ চলছিল। এলজিইডি’র বাস্তবায়নে ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজটি করছে বান্দরবান মধ্যম পাড়ার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মি. ইউটি মং।
মিস্ত্রি ফজল হক বলেন, সন্ত্রাসীরা একমাস আগে এসে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেছিল। চাঁদা না দেয়ায় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টায় ইউনিফর্ম পরিহিত অস্ত্রধারী ১৫/২০ জন পাহাড়ি সন্ত্রাসী এসে কাজ বন্ধ করে দেয়। আমি ও সহকারী মিস্ত্রি মিলে ৫ জন ছিলাম। তারা এসে আমাদের গাছের সাথে বেধে প্রচন্ড মারধর করে। সহকারী মিস্ত্রি মোঃ মাসুমকে এসএমজি (সট মেশিনগান) দিয়ে আঘাত করলে তার ডান চোখের পাশে কেটে রক্তখনন হয়। প্রায় ২ঘন্টা মারধর করে আমাদের ছেড়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। সামনে চাঁদার টাকা না নিয়ে আসলে লাশ হয়ে ফেরত যেতে হবে বলে হুশিয়ারী দেয় আমাদের। এসময় তারা আরো কয়েকজন ব্যবসায়ীকে বেধে টাকা আদায় করে।
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি নেপিউ মুরুং বলেন, সন্ত্রাসীরা অধিকাংশ চাকমা। তাদের মধ্যে কয়েকজন মারমা রয়েছে। এরা জেএসএস গ্রুপের সদস্য।
এবিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, বিষয়টি আমাদের কেউ জানাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।