৪ মার্চ, ২০২৬ | ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৪ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

রোহিঙ্গা হত্যার অভিযোগ অস্বীকার সু চি’র

 

 


মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন দেশটির নেত্রী অং সান সু চি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, রাখাইন রাজ্যে যেখানে রোহিঙ্গা মুসলিমরা বসবাস করেন সেখানকার সংকট সম্পর্কে অবগত আছেন তিনি। তবে জাতিগতভাবে রোহিঙ্গাদের নিশ্চিহ্ন করে ফেলার অভিযোগটি ঠিক নয়।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়না এমন কিছু ঘটছে। যা হচ্ছে তাকে আমরা মুসলিমদের নিশ্চিহ্ন করা বলতে পারিনা। তিনি দাবি করেন, যেকোন রোহিঙ্গা দেশে ফিরে আসলে স্বাগত জানাবেন তিনি।

অনেকে মনে করেন, এই বিষয়ে সু চির নীরব ভূমিকা তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তিনি সারাবিশ্বে প্রশংসিত ছিলেন। পেয়েছেন নোবেল শান্তি পুরস্কার। তবে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উপর অত্যাচারের পর থেকে জাতিসংঘ সহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপে পড়েছেন সু চি।

গত বছরের অক্টোবর থেকে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে নির্যাতন চালাতে থাকে মিয়ারমার সেনারা। বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয় প্রায় ৭০ হাজার রোহিঙ্গা। গত মাসে বিষয়টি তদন্তের ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ।

তবে সু চি বলেছেন, তিনি মার্গারেট থ্যাচার নন, আবার মাদার তেরেসাও নন। তিনি একজন রাজনীতিবিদ। এবিষয়ে তিনি আগেও কথা বলেছেন। শান্তিতে নোবেলজয়ী এ রাজনীতিবিদের দাবি, ২০১৩ সালের পর থেকেই এবিষয়ে কথা বলে আসছেন তিনি। কিন্তু সবার কাঙ্খিত কথা বলেন নি দেখেই অভিযোগ উঠে যে তিনি নীরব। সু চি বলেন, ‘মানুষ চায় আমি যেকোনও একটি সম্প্রদায়ের নিন্দা জানাই। সেটা করছি না বলে সবাই ভাবছে আমি কিছু বলিনা।’

সূত্র : বিবিসি

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।