১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৯ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প

রোহিঙ্গা যুবক হত্যা মামলার ৪ আসামী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি:

রোহিঙ্গা যুবক সৈয়দ হোসেন হত্যা মামলার ৪ আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ এপিবিএন এর সদস্যরা। শুক্রবার (২১ অক্টোবর) ভোর রাতে ক্যাম্প-১৩ ও ১৯ এ পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। একই সাথে অন্য আসামীদের আটক করতে ব্লক রেইড অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ক্যাম্প-১৩ এর ডি/২ ব্লকের বাসিন্দা মকবুল আহাম্মদের ছেলে সৈয়দ হোসেন প্রকাশ জাহিদ হোসেন (৩৫), ক্যাম্প-১৫ এর এইচ/৩ ব্লকের মৃত ইলিয়াসের ছেলে মোহাম্মদ ইয়াছিন (৩০), ক্যাম্প-১৯ এর এ/১৮ ব্লকের মৃত আবু বক্করের ছেলে নুর আলম (৩২) এবং ক্যাম্প-১৩ এর এফ/৫ ব্লকের মেহাম্মদ ইসহাকের ছেলে মোহাম্মদ গণি (২৫)।
৮ এপিবিএন এর সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মোঃ ফারুক আহমেদ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গত ১৮ অক্টোবর রাতে ১৯ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি দোকানের সামনে ২৮/৩০ জনের একটি দুষ্কৃতিকারী দল সৈয়দ হোসেন (২৩)কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত সৈয়দ হোসেনের ভাই বাদী হয়ে উখিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৫৮।
নিহত সৈয়দ হোসেন ক্যাম্প-১৯ এর এ/১০ ব্লকের মৃত জমিল হোসেনের ছেলে।
এই হত্যাকান্ডের পর থেকে অপরাধীদের সনাক্ত করতে ৮ এপিবিএন কাজ করে যাচ্ছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে সৈয়দ হোসেন হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত কয়েকজন ক্যাম্প-১৩ ও ১৯ এ অবস্থান করছে। সুনির্দ্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ভোরে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।