মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে স্থানীয়দেরও ভিজিএফ’র আওতায় আনার দাবি

শেয়ার করুন

কক্সবাজার সময় ডেস্কঃ রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয় জনগণ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। এজন্য রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয়দেরও ভিজিএফ কার্ডের আওতায় আনা উচিত।

সোমবার (২৩ অক্টোবর) বাংলানিউজ আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিয়ে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা এ দাবি জানান।

কক্সবাজারের সায়মন বিচ রিসোর্টের সম্মেলন কক্ষে এ গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করা হয়।

সিরাজুল মোস্তফা বলেন, উখিয়া-টেকনাফে বাঙালি আছে ছয় লাখ। রোহিঙ্গা ১১ লাখ। স্থানীয় জনগণের দ্বিগুণ রোহিঙ্গা। এরইমধ্যে স্থানীয়দের গণঅসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। উখিয়া-টেকনাফের রাস্তাঘাট নষ্ট হয়ে গেছে। ১২ টাকা কেজির গোল আলু এখন ৬০ টাকা। ঢেঁড়শ ৯০ টাকা। শ্রমবাজার নষ্ট হয়ে গেছে।

রোহিঙ্গাদের সাহায্য দেওয়া দাতা সংস্থাগুলোর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, স্থানীয়রা রোহিঙ্গাদের কারণে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তারা বাইরে থেকে এসেছে, তাদের আগে আমার জনগণ। রোহিঙ্গাদের ভিজিএফ কার্ড দেওয়ার সঙ্গে স্থানীয়দেরও এর আওতায় আনা দরকার। সাহায্য দেওয়া সংগঠনগুলোর উচিত স্থানীয়দেরও সহায়তা করা।

সিরাজুল মোস্তফা বলেন, সংকট শুধু রোহিঙ্গাদের নয়, সংকট কক্সবাজারের, সংকট বাংলাদেশের। রোহিঙ্গারা কখন যাবে সেটা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না। যদি তাদের অবস্থান দীর্ঘমেয়াদী হয়, তাহলে তাদের ভাসানচর নিয়ে যেতেই হবে। তাদের সংরক্ষিত এলাকা করে রাখা জরুরি, তাদের বাইরে যেন যেতে দেওয়া না হয়।

বাংলানিউজের এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম ব্যুরো এডিটর তপন চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

গোলটেবিল আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার সদর আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী আব্দুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, ট্যুরিস্ট পুলিশ জিল্লুর রহমান, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মাদ আব্দুল কালাম, কক্সবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ  এ কে এম ফজলুল করিম চৌধুরী, কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু তাহের প্রমুখ।

শেয়ার করুন