৪ মার্চ, ২০২৬ | ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৪ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

রাসায়নিক অস্ত্রে উনের সৎভাই জং-নামের মৃত্যু

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সৎভাই কিম জং-নামকে হত্যায় উচ্চমাত্রার বিষাক্ত রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করা হয়েছে। রাসায়নিকটির নাম ভিক্স নার্ভ এজেন্ট। মালয়েশিয়ার পুলিশ আজ শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়। ১৩ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের বিমানবন্দরে রহস্যজনকভাবে অসুস্থ হওয়ার পর জং-নাম মারা যান। বিমানবন্দরে জং-নামকে উত্তর কোরিয়ার গুপ্তঘাতকেরা বিষপ্রয়োগে হত্যা করে বলে সন্দেহ করা হচ্ছিল।

মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, জং-নাম ম্যাকাওগামী ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় দুই নারী তাঁর মুখমণ্ডলে বিষাক্ত উপাদান ছড়িয়ে দেন। এ কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়। মালয়েশীয় পুলিশ বলছে, জং-নামের চোখ ও মুখমণ্ডল থেকে সংগৃহীত নমুনায় ভিক্স নার্ভ এজেন্ট নামের উচ্চমাত্রার বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ভিক্স নার্ভ এজেন্ট একটি রাসায়নিক অস্ত্র। এই অস্ত্রটিকে গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে জাতিসংঘ।

মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান খালিদ আবু বকর এক বিবৃতিতে বলেছেন, জং-নামের মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে সংগৃহীত অন্যান্য নমুনাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার অনুরোধ সত্ত্বেও জং-নামের লাশ ফেরত দেয়নি মালয়েশিয়া। তারা বলছে, নিহত ব্যক্তির পরিবারের কেউ ডিএনএ নমুনা দিয়ে শনাক্ত করার পরই লাশ নিতে পারবেন। এ ছাড়া মৃত্যুর বিষয়ে তদন্ত চলছে।

জং-নামের লাশ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এই হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে উত্তর কোরিয়ার বেশ কয়েকজনকে মালয়েশিয়ার পুলিশ খুঁজছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের মধ্যে কুয়ালালামপুরে উত্তর কোরীয় দূতাবাসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং দেশটির রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার এক কর্মীও রয়েছেন। এই মামলায় উত্তর কোরিয়ার আরও চার সন্দেহভাজন ব্যক্তির নাম প্রকাশিত হয়েছে। তাঁরা সম্ভবত ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া ছেড়ে গেছেন। ওই চার ব্যক্তিকে ধরতে সতর্কতা জারির জন্য আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলকে অনুরোধ করেছে মালয়েশিয়া।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।