৫ মার্চ, ২০২৬ | ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৫ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

রামুর মেধাবী ছাত্রী আয়েশা ছিদ্দিকা জিপিএ-৫ পেয়েছে


রামুর আয়েশা ছিদ্দিকা ২০১৭ সালে এসএসসি ও সমমান পরিক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ পেয়েছে। সে রামু উপজেলার জারাইলতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী। আয়েশা ছিদ্দিকা রামু উপজেলার চাকমারকুল ইউনিয়নের জারাইলতলী গ্রামের ৫নং ওয়ার্ডের দিনমজুর কৃষক মুবিনুল হক ও আমিনা বেগমের মেয়ে। দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে সে দ্বিতীয়। তার বড় বোন মরিয়ম ছিদ্দিকা রামু সরকারী কলেজের সম্প্রতি শেষ হওয়া এইচএসসি ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ছাত্রী, ছোট ভাই জারাইলতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেনির ছাত্র ও সকলের ছোট ভাই একই স্কুলে তৃতীয় শ্রেনিতে অধ্যয়নরত। ছয় সদস্য বিশিষ্ট এই কৃষক পরিবারে জন্ম হয়েছে বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্রী আয়েশা ছিদ্দিকার। জিপিএ-৫ পাওয়া আয়েশা তার অনুভূতিতে জানান, আমার আজকের এই অর্জনের পেচনে প্রথমে আমার প্রিয় বিদ্যালয় জারাইলতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সকল শিক্ষকবৃন্দ, আমার মা-বাবা এবং বড় আপু। তাহাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও ভাল ফলাফল অর্জনে আমার দৃঢ় সংকল্প ও মহান আল্লাহর অসীম রহমতে লক্ষ্যে পৌছতে সক্ষম হয়েছি। আগামীতে সুযোগ পেলে সে উচ্চ মাধ্যমিকে চট্রগ্রামের একটি সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে চাই। সে সমাজের উচ্চ ও বৃত্তবানদের সহযোগিতা পেলে নিজেকে মানব সেবায় নিয়োজিত রাখার জন্য চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।
মেধাবী শিক্ষার্থী আয়েশা ছিদ্দিকার পিতা দিনমজুর মুবিনুল হক জানান, আমি পরিবারের একমাত্র উপার্জনকম ব্যক্তি। আমার ৪ সন্তান সকলে স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করে। অর্থের অভাবে আমার বাড়িতে বিদ্যুৎতিক সংযোগ নেয়া সম্ভব হয়নি। খড়ের ছাউনীর বসত বাড়িতে হারিকেনের আলোতে আমার মেয়ে পড়াশোন করে যে সাফল্য আর্জন করেছে এতে আমি একজন গর্বিত পিতা। পৃথিবীতে আমি মনে করি আজকের দিনে আমার মত সুখি কেহ নেই। পারিবারিক অভাব অনটন লেগে থাকলেও আমার মেয়ে ইচ্ছে শক্তিকে কাজে লাগিয়ে জিপিএ-৫ পেয়ে পুরো উপজেলাবাসীকে গর্বিত করেছেন। আমার মেয়ের এ অর্জন রামু উপজেলাবাসীকে দিলাম। তিনি সকলের কাছে তার মেয়ের জন্য দোয়া কামনা করেছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।