মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

যে ব্যাংকের সবাই ভিক্ষুক!

শেয়ার করুন

বিহারের মঙ্গলা ব্যাংকভিক্ষুকদের জন্য ভিক্ষুক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে ব্যাংক। আর এমন অভিনব ব্যাংকটি চালু হয়েছে ভারতের বিহারে। অদ্ভূত ব্যাংকটির উদ্যোক্তাও বিহারেরই গয়া জেলার একদল ভিক্ষুক।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, ভিক্ষুক দ্বারা পরিচালিত এই ব্যাংকে টাকা রাখার জন্য কোনও প্যান কার্ড কিংবা ভোটার কার্ডের দরকার নেই। অ্যাকাউন্ট খোলার একটাই শর্ত। তা হচ্ছে, গ্রাহকদের ভিক্ষুক হতে হবে। এমন ভিক্ষুকদেরই বিপদের সময় আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ একদল ভিখারীর। খবর এবিপি আনন্দর।

এই ভিক্ষুকরা বছরের পর বছর ধরে বিহারের মা মঙ্গল-গৌরী মন্দিরের গেটের সামনে ভিক্ষা করে আসছেন। সেইসূত্রে এই ব্যাংকের নামও রেখেছেন মঙ্গলা ব্যাংক। মাত্র ছয় মাস আগে ব্যাংকটির জন্ম। ব্যাংক ম্যানেজার, কোষাধ্যক্ষ, সেক্রেটারি কেউই যথার্থ শিক্ষিত নন। প্রত্যেকেরই শিক্ষাগত যোগ্যতা খুবই কম। তাদের একটাই পরিচয়, তারা ভিক্ষুক।

ওই ব্যাংকের ম্যানেজার রাজ কুমার মাঝি জানিয়েছেন, ভিক্ষুকরা মিলেই এই ব্যাংকটি করেছেন। এখন সদস্য সংখ্যা ৪০। ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক ভিক্ষুককে সপ্তাহের প্রত্যেক মঙ্গলবার ২০ টাকা করে ব্যাঙ্কে জমা রাখতে হবে।

ব্যাংকের সেক্রেটারি মালতীদেবী জানান, দীন-দরিদ্র হওয়ায় সমাজে উপযুক্ত সম্মান থেকে বঞ্চিত হন তারা। তাই, ভিক্ষুকদের আশা পূরণ করতেই এই ব্যাংক তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলেন তারা। মাঝির স্ত্রী নাগিনা দেবী এই ব্যাংকের কোষাধ্যক্ষ। তিনি যথেষ্ট শিক্ষিত না হলেও টাকা জমা রাখার কাজটি যথেষ্ট দায়িত্বের সঙ্গে পরিচালনা করেন তিনি।

জরুরী অবস্থায় এই ব্যাংকই তাদের বড় বল বলে জানিয়েছেন ব্যাংকের ম্যানেজার রাজকুমার মাঝি। যেমন গত মাসেই তার মেয়ে ও বোন আগুনে পুড়ে যাওয়ায়, চিকিৎসা বাবদ ব্যাংক তাকে ৮০০০ টাকা ধার দিয়েছিল। এজন্য তাকে সুদও দিতে হয়নি।

তবে ব্যাঙ্কের সেক্রেটারি মালতীদেবী জানান, সামনের মাস থেকে তারা ধারের সাপেক্ষে ২-৫ শতাংশ সুদ ধার্য করবেন। এতে সদস্যদের ধার শোধের চাপ বেশি থাকবে বলে মনে করছেন তিনি। অন্যদিকে, ব্যাংকে ভবিষ্যতের জন্য টাকা সঞ্চয় করতে পেরে খুশি বিহারের বাকি ভিক্ষুকরাও।

শেয়ার করুন