মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

মুজাহিদ ও সালাউদ্দিনের আপিল শুনানি ২৮ এপ্রিল

শেয়ার করুন

saka-mujahid-thereport24

  মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আপিল শুনানি শুরু করার জন্য আগামী ২৮ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ বুধবার আপিল শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করে আদেশ দেন।

এ বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

আদালতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন খন্দকার মাহবুব হোসেন। এছাড়া আসামিপক্ষে আরও ছিলেন এ্যাডভোকেট শিশির মো. মনির, ব্যারিস্টার আহমেদ আল-আমিন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

আদালতের আদেশের পর খন্দকার মাহবুব হোসেন জানান, আমরা আদালতে বলেছি, ‍দুটি মামলাতে একই আইনজীবীরা শুনানি করবেন। তাই সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মামলাটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হোক, মুজাহিদের আপিল শুনানি শেষ হওয়ার পর সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর আপিল শুনানি শুরু হবে।

তিনি আরও জানান, আদালতে বলা হয়েছে সামনে সিটি করপোরেশন ও বার কাউন্সিলের নির্বাচন। আইনজীবীরা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত আছেন। তাই কিছুদিন সময় দেওয়া হোক। আদালত বলেন, না না দ্রুত শুরু করে দেন।

এরপর আপিল শুনানি শুরু করার জন্য ২৮ এপ্রিল দিন ধার্য করে আদেশ দেন।

২০১৩ সালের ২৯ অক্টোবর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ফাঁসির দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেন। একই বছরের ১ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল-১ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে আনিত ২৩টি অভিযোগের মধ্যে ৯টি প্রমাণিত হয়েছে মর্মে ৪টি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।

২০১৩ সালের ১১ আগস্ট মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে আপিল করেন মুজাহিদের আইনজীবীরা।

অপরদিকে, ২০১৩ সালের ১৭ জুলাই মুজাহিদের বিরুদ্ধে আনীত রাষ্ট্রপক্ষের ৭টি অভিযোগের মধ্যে ৫টি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২।

শেয়ার করুন