মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হকের পুত্রবধূ ও সাবেক জেলা ছাত্রলীগ নেতা নিরুর স্ত্রীর মনোনয়ন দাখিল

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচনে ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড থেকে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন রোকেয়া আক্তার কেয়া। তিনি শহরের ৬নং ওয়ার্ড এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হকের পুত্রবধূ ও সাবেক জেলা ছাত্রলীগ নেতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান নিরুর স্ত্রী। সোমবার দুপুরে কক্সবাজার নির্বাচন কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেনের হাতে মনোনয়ন পত্র জমা দেন। এর আগে কক্সবাজার শহরের ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়া মহল্লা থেকে রোকেয়া আক্তার কেয়ার সমর্থনে নির্বাচনে অফিসে আসেন শতশত নারী-পুরুষ। পুরো ৬ নং ওয়ার্ডের একক প্রার্থী হিসেবে রোকেয়া আক্তার কেয়াকেই সমর্থন দিয়েছেন এলাকাবাসী।

কেয়া ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্বত্বাধিকারী রোকেয়া আক্তার কেয়ার স্বামী আসাদুজ্জামান নিরু দীর্ঘ বছর ধরে শহরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত। তার হাত ধরে ঠিকাদার হিসেবে ১২ কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে কক্সবাজার পৌর এলাকায়। সুতরাং তিনিই জানেন ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডে কোন কোন স্থানে উন্নয়ন করতে হবে।
তিনি আরও জানান,উচ্চ শিক্ষিত রোকেয়া আক্তার কেয়া কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডে ব্যাপক উন্নয়ন হবে। এবং নানান সমস্যা উত্তরনে মহিলা কাউন্সিলর হিসেবে অবদান রাখবেন। এই ওয়ার্ডগুলোতে সবার চাইতে রোকেয়া আক্তার কেয়াই নিরাপদ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন