৪ মার্চ, ২০২৬ | ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৪ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

মালয়েশিয়ায় বৈধ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন প্রবাসী শ্রমিকরা

 

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ বিদেশি অবৈধ শ্রমিকরা নতুন করে নিবন্ধনের সুযোগ পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার অভিবাসন মহাপরিচালক মুস্তাফার আলী।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন মন্ত্রণালয় এক ঘোষণায় জানিয়েছে, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত এই নিবন্ধনে নতুন শ্রমিকরা প্রাথমিকভাবে এক বছরের জন্য ই-কার্ড (এনফোর্সমেন্ট কার্ড) পাবেন। মালয়েশিয়ার যে কোনও প্রদেশের অভিবাসন কেন্দ্রে এ নিবন্ধন করা যাবে।
প্রবাসী বাংলাদেশি গৌতম রায় বলেন, “মালয়েশিয়ায় আড়াই লক্ষের বেশি অবৈধ বাংলাদেশি আছেন। যাদের পারমিট নেই, এবং যারা রি-হায়ারিং নিবন্ধন করেননি তারা ই-কার্ডের জন্য নিজ নিজ মালিকের মাধ্যমে নিবন্ধন করে নিতে পারবেন।”
ই-কার্ডের মেয়াদ থাকবে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সাল পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে গত বছর থেকে শুরু হওয়া রি-হায়ারিং পদ্ধতিতে শ্রমিকরা নির্দিষ্ট মালিকের মাধ্যমে বৈধ ভিসা করতে পারবেন।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন মহাপরিচালক দাতুক সারি মুস্তাফার আলী স্থানীয় পত্রিকা ‘সান ডেইলি’কে বলেন, “বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতে শ্রমিক সংকটের কারণে সরকার অবৈধ শ্রমিকের নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদী স্থানীয় ‘দি স্টার অনলাইন’ পত্রিকাকে বলেন, “আমরা এই সুযোগ দিচ্ছি যাতে অবৈধ শ্রমিকরা তাদের কর্মস্থলে ফিরে যান এবং তাদের কাজে কোন বিঘ্ন না ঘটে।”
ই-কার্ড নিবন্ধন হবে বিনামূল্যে। শুধু পাঁচটি সেক্টরের জন্য ই-কার্ডের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো- প্লানটেশন, এগ্রিকালচার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল, কনস্ট্রাকশন ও সার্ভিস সেক্টর।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।