মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

মানবপাচার রোধে একাধিক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কমিটি

শেয়ার করুন

Mossharraf_sm_851408946

মানবপাচার রোধে স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

বুধবার (৬ মে) বিকেলে তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি ‍এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি থাইল্যান্ডের গণকবর থেকে কিছু বাংলাদেশির মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বিগ্ন। মানবপাচারের শিকার মানুষগুলোর এই পরিণতি আমাদের স্তম্ভিত করেছে। মানবপাচার রোধে সরকার আরও কঠোর হবে। শিগগির মন্ত্রিসভার আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটিতে বিষয়টি তুলবো। পাচারকারীদের বিষয়ে কঠোর সিদ্ধান্তে যেতে হবে সরকারকে।

ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা সবসময় অবৈধ পথে বিদেশে যেতে নিষেধ করি। এজন্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও প্রচারণাও অব্যাহত রয়েছে। তারপরও এবারের ভয়াবহতা আমাদের স্তম্ভিত করেছে। এতোগুলো লোককে পাচার করে হত্যা করা হয়েছে- এটা আমাদের ধারণারও বাইরে ছিল। তাই, এবার আমাদের আইনের প্রয়োগ কঠোর করবো। স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণসহ সব মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে বৈঠক করবে।

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করতে চাই, পাচারকারীরা লাইসেন্সধারী কোনো রিক্রুটিং এজেন্সির সঙ্গে জড়িত নয়। এরা আলাদা চক্র। তাদের শাস্তি দিতেই হবে। আর যদি এদের সঙ্গে কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা লাইসেন্সধারী রিক্রুটিং এজেন্সি জড়িত থাকে তবে তাদেরও শাস্তি পেতে হবে।

এদিকে, একইসময়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ৫ দিন ছুটির পর বুধবার থাইল্যান্ড সরকারের দফতরগুলো খুলেছে। আগামীকাল বা পরশু (বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার) আমরা সেখানে যাবো। তাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভাগগুলোর তদন্তের পর আমাদেরও সুযোগ দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেহেতু এ বিষয়ে একাধিক মন্ত্রণালয় সম্পৃক্ত, তাই খুব শিগগির আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তার আগে, আমাদের জানতে হবে থাইল্যান্ডের ওই ঘটনায় বাংলাদেশের কতো নাগরিক নৃশংসতার শিকার হয়েছেন।

অবৈধ পথে বিদেশে যাওয়া ঠেকাতে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে বলেও জানান মো. শাহরিয়ার আলম।

শেয়ার করুন