১৯ মার্চ, ২০২৬ | ৫ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৯ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার

মাতারবাড়ী সড়ক থেকে চুরি যাওয়া ডাম্পার গাড়ীটি এখন চকরিয়ায় ?


মহেশখালীর মাতারবাড়ী সড়ক থেকে  ৭২ দিন পূর্বে চুরি হয়ে যাওয়া ঢাম্পার গাড়ীর সন্ধান পেলেও রহস্যজনক কারণে গাড়ীটি উদ্ধার করছে না মহেশখালী থানার পুলিশ। ফলে মরিচা ধরে গাড়ীটির বিভিন্ন অংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । এতে গাড়ীর মালিক দোস মোহাম্মদ মাথায় হাত দিয়েছে। তিনি মাতারবাড়ী ইউনিয়নের মগড়েইল গ্রামের আসরাফ মিয়ার পুত্র ।
মাতারবাড়ী  ইউনিয়নের মগঢেইল গ্রামের আসরাফ মিয়ার পুত্র দোস মোহাম্মদ গত ৬ নভেম্বর মহেশখালী থানায় লিখিত এজাহারে জানান, তার মালিকানাধীন সাড়ে ১৩ লাখ টাকা মূল্যের ঢাম্পার গাড়ীটি তার গাড়ী চালক  গত ৬ অক্টোবর রাতে  মাতারবাড়ী সড়কের ধারাখাল ব্রিজের পশ্চিম পাশে রেখে বাড়ীতে চলে যায়। পরক্ষণে তার গাড়ীটি সংঘবদ্ধ চোররা  চুরি করে নিয়ে যায়। পরদিন তার গাড়ীটি বহু খোজাখুজি করার পর মাতারবাড়ী ইউনিয়নের সর্দার পাড়ার নুরুল ইসলামকে ১নং  তিতামাঝি পাড়ার কফিল উদ্দিনকে ২নং আসামী করে ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং জি.আর ৩০৯/১৬। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত কফিল উদ্দিনকে মহেশখালী থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে । তার স্বীকারোক্তিতে  মতে জানান, চোরাই করা গাড়ীটি শাহারবিল ইউ.পি চেয়ারম্যানের অধীনে রেখেছে। তার স্বীকারোক্তিতে উক্ত গাড়ীটি চেয়ারম্যানের কাছে আছে কিনা মহেশখালী থানার ও.সি ফোন করলে শাহারবিল ইউ.পি চেয়ারম্যান  ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং গাড়ীটি ফেরৎ দিবে বলে মহেশখালী থানার ওসিকে আশ্বস্থ্য করেন। কিন্তু গাড়ীটি ফেরৎ না দিয়ে বিভিন্নভাবে তালবাহানা করতে থাকে। অবশেষে মহেশখালী থানার ওসির ব্যাপক চাপের মুখে গাড়ীটি অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে ফেলে। ফলে গাড়ীটির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ  নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশংকা করেছেন গাড়ীর মালিক। এ ব্যাপারে গাড়ীর মালিক দোস মোহাম্মদ জেলা পুলিশ সুপার এবং জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।