৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৪ মাঘ, ১৪৩২ | ১৮ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প   ●  উখিয়ায় একই পরিবারের দুই ভাই হত্যার পর আরেক ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম

বিচারাধীন ৬৬ হাজার মামলার বয়স বিবেচনায় দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে

img_20161112_190119
কক্সবাজারের আদালত সমূহে ৬৬ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি সহ মামলার বয়স বিবেচনায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হয়। শনিবার (১২ নভেম্বর) জেলা ও দায়রা জজ আদালত, কক্সবাজার এর সম্মেলন কক্ষে জেলা ও দায়রা জজ, কক্সবাজার মীর শফিকুল আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত বিচার বিভাগীয় সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্মেলনে জেলায় বিচারাধীন সর্বমোট ৬৬ হাজার মামলা দ্রুততার সঙ্গে ও মামলার বয়স বিবেচনায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হয়। জেলা ও দায়রা জজ মীর শফিকুল আলম দেওয়ানী ও ফৌজদারী বিচার প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত বিজ্ঞ বিচারকগণ, পুলিশ বিভাগ, র‌্যাব, বিজিবি, সরকারী আইন কর্মকর্তা ও সিনিয়র বিজ্ঞ আইনজীবিগণ সহ উপস্থিত সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে বিচার প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সমন্বয় সাধনের আহ্বান জানান।

দেওয়ানী ও ফৌজদারী মোকদ্দমার বিচার নিষ্পত্তিতে উদ্ভুতসমস্যা ও বিলম্বের কারণ সমূহ চিহ্নিতকরণ ও উত্তরণের উপায় সম্পর্কে সভায় জেলার বিজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবিগণ সহ জেলার পাবলিক প্রসিকিউটর জনাব মমতাজ আহমদ, জি.পি ও আইনজীবি সমিতির সভাপতি জনাব ইসহাক মিয়া, সমিতির সাধারণ সম্পাদক জনাব আ.জ.ম. মঈন উদ্দিন, সিভিল সার্জন, পুলিশ সুপার জনাব শ্যামল কুমার নাথ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব খালেদ মাহমুদ, বিজিবি’র কমান্ডিং অফিসার কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার প্রমূখ বিরাজমান সমস্যা সমূহ সমাধানকল্পে গুরুত্বপূর্ণ অভিমত প্রদান করেন।

সিনিয়র সহকারী জজ অসীম কুমার দে’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সহকারী জজ জনাব মোঃ আবুল মনসুর সিদ্দীকী। সভায় জেলার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ তৌফিক আজিজ, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ জনাব ওসমান গনি, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ জনাব ফখরুল আবেদীন, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মুহাম্মাদ মোশাররফ হোসাইন, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব অরুন পাল, জনাব নিশাদুজ্জামান, জনাব মোঃ নেজামউদ্দিন, জনাব মাহমুদুল ইসলাম, জনাব তৌহিদুল ইসলাম, জনাব সুশান্ত প্রসাদ চাকমা, জনাব মোঃ সিরাজ উদ্দিন এবং সিনিয়র সহকারী জজ জনাব শফিউল আলম, জনাব কনক বড়–য়া ও জনাব আসমা বেগম।

বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ তৌফিক আজিজ তাঁর বক্তব্যে সম্প্রতি সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক প্রকাশিত ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ও ১৬৭ ধারার আলোকে প্রণীত নির্দেশাবলী আইন প্রয়োগকারী সকল সংস্থা ও বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটগণের জন্য অবশ্যই অনুসরণীয় মর্মে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করেন।

কর্মসূচীতে দিনের দ্বিতীয়ার্ধে/অপরাহ্নে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞবিচারকগণ ও চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটগণ পৃথক আলোচনা সভায় নিজ নিজ প্রতিবেদন সহ দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালতের কার্যক্রম পরিচালনায় উদ্ভুত সমস্যা সমূহ চিহ্নিতক্রমে ভবিষ্যত কর্মপন্থা সহ সুপারিশ মালা প্রণয়ন করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।