৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৬ মাঘ, ১৪৩২ | ২০ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প   ●  উখিয়ায় একই পরিবারের দুই ভাই হত্যার পর আরেক ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম

বিচারপতি নিয়োগে আইন তৈরির কাজ হচ্ছে

উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগে সরকার আইন তৈরির কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। রবিবার রাতে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠানে এ কথা জানান মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন ‘স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার জন্য’ বিচারপতি নিয়োগে বিধিমালা তৈরির বিষয়টি তোলেন।

সবশেষে বক্তব্য দিতে গিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরাও মনে করি বিচারপতি নিয়োগে আইন হওয়া উচিত এবং সরকার এ জন্য কাজ শুরু করেছে। ‘

স্বাধীনতার পর ৪৫ বছর পেরিয়ে গেলেও উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের বিষয়ে আইন না হওয়ায় একটি রিট আবেদন হয়েছিল হাইকোর্টে। সম্প্রতি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়ে ওই আবেদনের নিষ্পত্তি করে দেয়। তবে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ না হওয়ায় আদালতের পর্যবেক্ষণগুলো এখনও জানা যায়নি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এ সরকার বিশ্বাস করে বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়া উচিত। বিচার বিভাগ স্বাধীন করার জন্য যা যা করা উচিত সরকার তাতে হাত দিয়েছে। ‘

মাহবুব উদ্দিন খোকন তার বক্তব্যে বিচার বিভাগ, আইনসভা ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের প্রসঙ্গে কথা বললে তার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেন, ‘দেশ থাকতে হলে এই তিনটার সমন্বয় থাকতেই হবে। তার মানে এ না যে বিচার বিভাগ স্বাধীন থাকবে না। আমরা বলেছি দেশ গড়ার কাজে, দেশের জনগণের স্বার্থে এ তিন বিভাগের সমন্বয় হওয়া প্রয়োজন। এ সমন্বয়ে সরকার স্বাধীনতা খর্ব করে নেবে এ কথা আমরা কখনও বলিনি। ‘

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়ে থাকলে সেটা প্রথম হয়েছিল ১৯৭২ সালে। মৃত্যু হয়েছিল বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালে হত্যার মধ্য দিয়ে। তারপর যদি আবার স্বাধীন হয়ে থাকে তাহলে বলতে হবে তা হয়েছে ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে (মাসদার হোসেন মামলার ঐতিহাসিক রায়ের দিন)। … আমরা আনেক স্বাধীনতার কথা মুখে শুনেছি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে স্বাধীন বিচার বিভাগ হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ আমলে। ‘

চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি রতন কুমার রায়ের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, বার কাউন্সিলের সদস্য শ ম রেজাউল করিম, আইনসচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক ও চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ বক্তব্য দেন।

চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ হেলাল উদ্দিন, মহানগর দায়রা জজ মো. শাহেনুর, জেলা প্রশাসক মো. শামসুল আরেফিন, মুখ্য বিচারিক হাকিম মুন্সী মশিয়ার রহমান, মুখ্য মহানগর হাকিম এ কিউ এম নাছির উদ্দিন ও বার কাউন্সিলের সদস্য ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুলও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।