মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

বান্দরবানে পাহাড় ধসে নিহত ৬

শেয়ার করুন

বান্দরবান শহরের বালাঘাটা, লেমুঝিড়ি পাড়া ও আগা পাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে ছয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন পাঁচজন।

নিহতরা হলেন- রেবা ত্রিপুরা (২৪), লতা বড়ুয়া (৭), মিতু বড়ুয়া (৫), শুভ বড়ুয়া (৪), কামরুন নাহার (৪০) ও সুপ্রিয়া বেগম (৮)।

আহতরা হলেন- পসান ত্রিপুরা (২২), বীর বাহাদুর ত্রিপুরা (১৬) ও দুজাকিন ত্রিপুরাসহ (২৬) আরো দুজন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বান্দরবান জেলা শহরের বালাঘাটা পুলিশ ক্যাম্প এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় হতাহতরা ঘরের মধ্যে ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। টানা বর্ষণের কারণে হঠাৎ পাহাড় ধসে ঘরের ওপর পড়লে ঘুমন্ত অবস্থায় চাপা পড়ে রেবা ত্রিপুরা মারা যান।

অন্যদিকে রাতে শহরের লেমুঝিড়ি পাড়া ও আগা পাড়ায় অনুরূপভাবে পাহাড় ধসে আরো পাঁচজন নিহত ও চারজন আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। রেবা ত্রিপুরা বান্দরবান সরকারি কলেজের এবং অন্যরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার স্বপন কুমার বোস বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা মাটির নিচ থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি।’

প্রসঙ্গত, বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলায় প্রতিবছর পাহাড় ধসে হতাহতের ঘটনা ঘটে। তাই টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ের পাদদেশ থেকে স্থানীয়দের সরে যেতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে জোর প্রচারণা চালানো হয়।

শেয়ার করুন