৭ মার্চ, ২০২৬ | ২২ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৭ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

বঙ্গোপসাগর থেকে ভাসমান ট্রলারসহ ১৩২ যাত্রী উদ্ধার : সীমানার বাইরে আরও ৩ ট্রলার

cox-recover...
 জেলার সেন্টমার্টিন থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর ভাসমান অবস্থায় থাকা বিকল ট্রলার থেকে ১৩২ যাত্রীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। এর মধ্যে ২২ জন রোহিঙ্গা নারী রয়েছে। বাংলাদেশের সমুদ্র সীমার বাইরে আরও তিনটি ট্রলারকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ট্রলারে থাকা যাত্রীরা কোস্টগার্ডকে জানিয়েছে ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হওয়ার ট্রলারের নাবিকরা ছোট নৌকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। উদ্ধারকৃতদের রাত দশটা নাগাদ সাগর থেকে স্থলে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। গত দুই দিন ধরে থাইল্যান্ডের তৈরি কাঠের একটি বড় ট্রলারে তারা সাগরে ভাসছিল বলে কোস্টগার্ড জানিয়েছে।

জানা গেছে, গত দুই দিন ধরে ট্রলারটি সেন্টমার্টিনের কাছাকাছি মিয়ানমার সীমান্তে ১৩২ জন যাত্রী নিয়ে সাগরে ভাসছিল। গতকাল সোমবার সকালে ভুট্টো নামের চকরিয়া উপজেলার এক যাত্রী ট্রলার থেকে মোবাইল ফোনে অন্য একটি নৌকা পাঠিয়ে তাদের উদ্ধার করার অনুরোধ জানান। ভুট্টো মোবাইল ফোনে বলেছিলেন, ট্রলারটিতে ১৩২ জন যাত্রী রয়েছে, যার মধ্যে ২২ জন রোহিঙ্গা নারী। বাকিরা বাংলাদেশী বলে জানেন তিনি।

তিনি আরো জানান, নৌ-বাহিনীর ভয়ে ট্রলারটি সেন্টমার্টিনের তীরে ভিড়তে সাহস করেনি। ট্রলার মালিকের নাম হাসেম ও মাঝির নাম নবী হোসেন বলেও দবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে কোস্ট গার্ড চট্টগ্রাম ইষ্ট্রার্ন জোনের কমান্ডার লে. শহিদুল ইসলাম জানান, সীমান্তবর্তী সীতা পাহাড় নামক স্থানটি মিয়ানমার এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি নজরে রাখা হয়েছিল সোমবার থেকে। মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ সীমানার কাছাকাছি পাওয়া ট্রলারটি ১১৬ যাত্রীসহ আটক করতে সক্ষম হয় কোস্টগার্ড।

এদিকে একটি সূত্র দাবি করেছে সেন্ট মার্টিনের আশেপাশে মিয়ানমার সীমান্তে আরো তিনটি যাত্রীবাহী ট্রলার অবস্থান করছে। কোস্টগার্ডের কড়া নজরদারির কারণে কোথাও সরছে না তারা। তবে এ বিষয়টি কোস্টগার্ড আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো নিশ্চিত না করলেও সাগরে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ ষ্টেশনের পেটি অফিসার ফরিদুজ্জামান ফরিদ।

সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার লে. ডিক্সন চৌধুরী জানান, স্থানীয় জেলে ও বিভিন্ন সূত্রে ওই ভাসমান ট্রলারটির খবর পায় কোস্টগার্ড। এসব যাত্রীদের উদ্ধারে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে তার নেতৃত্বে রওয়ানা দেয় কোস্টগার্ড এর একটি উদ্ধারকারী দল। বিকেল পাঁচটা নাগাদ সেখানে পৌঁছায় উদ্ধারকারী দলটি। ট্রলারটি এখন কোস্টগার্ডের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ট্রলারসহ যাত্রীদের সেন্টমার্টিন উপকূলের দিকে নিয়ে আসা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, ট্রলারে থাকা যাত্রীরা জানিয়েছে ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হওয়ার ট্রলারের নাবিকরা ছোট নৌকা নিয়ে পালিয়ে গেছে।

উদ্ধারকারীদের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। উপকূলে আনার পর তাদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

 

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।