৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৫ মাঘ, ১৪৩২ | ১৯ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প   ●  উখিয়ায় একই পরিবারের দুই ভাই হত্যার পর আরেক ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম

বঙ্গবন্ধুর ভাষণের স্থানে স্থাপিত হবে স্মৃতিফলক

রাজধানী ঢাকার সুপরিসর নগর উদ্যান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ডাক দেওয়া ভাষণ এবং ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয়ের দলিলে স্বাক্ষরের ঘটনা ঘটেছিল এখানেই। এ কারণে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকার স্থান দু’টি চিহ্নিত করেছে। ওই দু’টি স্থানে ছোট্ট করে ফলকও লাগানো হয়েছে। তবে উদ্যানে গেলেওই ফলকগ দু’টি সহসা চোখে পড়ে না, খুঁজে বের করতে হয়। নতুন প্রজন্মের কাছে ওই স্থান দু’টির গুরুত্ব তুলে ধরতে সরকার স্মৃতিফলক স্থাপনসহ আনুষাঙ্গিক আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।
জানা গেছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সাজাতে সরকার যে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সেখানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের স্থান এবং পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থানে তথ্যবহুল স্মৃতিফলক নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। স্মৃতিফলকগুলো এমনভাবে স্থাপন করা হবে যেন সেখানে গেলে যেকোনও মানুষ খুব সহজেই ওই স্থানগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্যগুলো জানতে পারেন। পাশাপাশি উদ্যানের ভেতরে থাকা শিশুপার্কও আধুনিক করা হবে।
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন সোমবার (৬ মার্চ) বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সোহওয়ার্দী উদ্যানকে সাজাতে আমাদের আড়াইশ’ কোটি টাকার একটা প্রকল্প রয়েছে। এ জন্য ডিপিপি তৈরি করে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এটা অনুমোদন পেলে কাজ শুরু হবে।’ তিনি বলেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের চেহারাই পাল্টে যাবে।’
গণপূর্তমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সোহওয়ার্দী উদ্যানের যে স্থানটিতে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন এবং যেখানে পাকিস্তানি বাহিনী সারেন্ডার করেছিল, সেখানে স্মৃতিফলক নির্মাণ করা হবে। এর পাশে থাকবে সুন্দর লেক।’ তবে উদ্যানে অবস্থিত শিশুপার্কের দোকান সরিয়ে এর আধুনিকায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।
স্বাধীনতার পর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে সবুজে ঘেরা পার্কে পরিণত করা হয়। ১৯৭৫ সালের পর উদ্যানের উত্তর পাশে নির্মাণ করা হয় শিশুপার্ক। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর স্বাধীনতা সংক্রান্ত ঘটনাগুলোকে স্মরণীয় করে রাখতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে নতুন করে সাজানোর জন্য ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্প’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের দুই পর্বে প্রায় তিনশ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। ১৯৯৯ সালে এখানে শিখা চিরন্তন স্থাপন করা হয় এবং পরে নির্মাণ করা হয় স্বাধীনতা টাওয়ার। একটি কৃত্রিম লেকও খনন করা হয়েছে। ঐতিহাসিক এই উদ্যানে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।