মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যানের ৩ ভাই সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যার চেষ্টা, চাঁদা দাবি ও লুটের অভিযোগে মামলা হয়েছে। পেকুয়া থানায় আবুল কাশেম নামের এক ব্যক্তি বাদি হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন বলে জানিয়েছেন পেকুয়া থানার ওসি মো. ফাহাদ আলী।
তিনি জানিয়েছেন, গত ২৪ অক্টোবর পেকুয়া বাজারে জমি দখলের উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়ে দোকান ভাংচুর ও লুটপাট চালানোর অভিযোগে বাদি এজাহার জমা দেন। এ ঘটনায় কয়েকজন আহতও হন। প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় সোমবার (৩১ অক্টোবর) রাতে মামলাটি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রধান আসামি করা হয়েছে পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। এ মামলায় চেয়ারম্যানের ভাই মো আজম, মো কাইয়ুম, মো ওসমান সরওয়ার বাপ্পীকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় আরো ৮ জনের নাম উল্লেখ্য করে অজ্ঞাত রাখা হয়েছে ২০ জনকে।
মামলার বাদি পেকুয়ার মৃত আছমত আলীর ছেলে আবুল কাশেম জানান, পেকুয়া বাজারে তাদের নিজস্ব মালিকাধিন জমিতে ১০ টি দোকান রয়েছে। যে ১০ টি দোকান ১০ জন ওয়ারিশ পরিচালনা করেন। সম্প্রতি উপজেলা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দেয়ায় ২৪ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এর সময় মানুষ যখন নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে বেড়াচ্ছে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে চালানো হয় হামলা। এতে ১০ টি দোকান ভাংচুর করে অনন্ত ৫০ লাখ টাকার মালামাল রুট করা হয়। এতে আহত হন ৮ জন। এ ব্যাপারে থানায় এজাহার দায়ের করার পর সোমবার রাতে মামলাটি লিপিবদ্ধ করা হল। তিনি জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান এখনো অব্যাহতভাবে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে।
পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম জানান, মামলায় অভিযোগ সমুহ মিথ্যা। ওটা তার ক্রয় করা জমি। জমিটি অন্যায়ভাবে দখলে রেখেছে একটি পক্ষ। ফলে মিথ্যা অভিযোগে মামলা করা হল।

শেয়ার করুন