মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

পিএমখালীতে পিজিইউকের উদ্যোগে মাঠ দিবস উদ্যাপন

শেয়ার করুন

???????????????????????????????
কক্সবাজার জেলায় এবারই প্রথম বোরো মৌসুমে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ৬৪ জাতের চাষাবাদ শুরু করেছেন কৃষকেরা। বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা প্রকাশ গণ উন্নয়ন কেন্দ্র কক্সবাজার জেলার সদর ও রামু উপজেলায় বিনা মূল্যে এ জাতের বীজ ধান প্রদান করে। ১৬ এপ্রিল কক্সবাজার জেলার পিএমখালী ইউনিয়ন পরিষদে হারভেষ্ট প্লাস বাংলাদেশের সহযোগীতায় প্রকাশ গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (পিজিইউকে) মাঠ দিবসের আয়োজন করে। পিএমখালী ইউনিয়নের শতাধিক কৃষক উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। মাঠ দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হারভেষ্ট প্লাস বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ম্যানেজার ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউটের সাবেক পরিচালক বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. মোঃ খায়রুল বাশার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলার উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোঃ শহিদুল ইসলাম খান, সদর উপজেলার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জনাব এনায়েত-ই-রাব্বী, এটিআই এর সাবেক প্রিন্সিপাল বেগম জিন্নাত জাহান, সাংবাদিক বেদারুল ইসলাম। উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন পিএমখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ শহিদুল্লাহ। প্রকাশ গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক জনাব আ, শ, ম, আমানুল হাসান তাইমুর স্বাগত বক্তব্য রাখেন। কৃষক প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও বেদারুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হারভেষ্ট প্লাস বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ম্যানেজার ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউটের সাবেক পরিচালক বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. মোঃ খায়রুল বাশার তার বক্তব্যে বলেন, জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ৬৪ জাতটি উচ্চ ফলনশীল। এ জাতের ধানে প্রতি কেজিতে প্রায় ২৪ মিলিগ্রাম জিংক ও ৯% প্রোটিন থাকে। ফলন হেক্টর প্রতি ৬.৫ – ৭.০ টন প্রায়। তিনি আরো বলেন, এ জাতের ধানের চাল খেলে মানুষের শরীরের আয়রন ও প্রোটিনের চাহিদা অনেকাংশে মিটবে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। জিংক মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, বুদ্ধিমত্তা বিকাশসহ নানাবিধ শারীরবৃত্ত্বীয় প্রক্রিয়ার জন্য অতি প্রয়োজনীয়। জিংক বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধি যেমন- ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এমনকি ডায়রিয়া হলে ডাক্তারোর স্যালাইনের পাশাপাশি জিংক সিরাপ দিচ্ছেন। ১-৫ বছরের শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে। শিশুর শরীর গঠনে সহায়তা করবে এবং গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টি ঘাটতি পূরণ করে। জিংকের অভাব দুর করার জন্য আমরা হরলিকস খায়। ব্রি ৬৪ জাতের ভাত খেলে আর আলাদা করে জিংক সিরাপ বা হরলিকস খেতে হবে না। কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, আগামীতে কৃষকদের আরো উন্নতমানের বীজ প্রদানের করা হবে। বর্তমানে চাষকৃত ধান থেকে বীজ সংগ্রহ করবেন এবং অন্যান্য কৃষকদের মাঝে তা বিক্রি করে এ জাতের ধানকে সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবেন।

শেয়ার করুন