মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

‘নির্বাচনী পরিবেশকে পক্ষপাতদুষ্ট ও আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে সরকার’

শেয়ার করুন

'নির্বাচনী পরিবেশকে পক্ষপাতদুষ্ট ও আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে সরকার'
আসন্ন সিটি নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থীদের বেলায় সুষ্ঠু আচরণবিধি পালনের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর কিঞ্চিত সুযোগও দেয়া হচ্ছেনা। পাশাপাশি সরকার কর্তৃক বিরোধী প্রার্থী ও সমর্থক নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভিন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা মোকদ্দমা দিয়ে হয়রানী করছে। বিরোধী নেতা-কর্মীদের নির্বিঘ্নে চলাচল ও নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারের মন্ত্রী, এমপি ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উর্দ্ধতন কর্তাব্যক্তিদের কঠোর হুঁশিয়ারী নির্বাচনী পরিবেশকে আরো বেশী মাত্রায় পক্ষপাতদুষ্ট ও আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও ২০ দলের মুখপাত্র বরকত উল্লাহ বুলু।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেছেন। এ সময় তিনি বলেন, আমরা বহুবার বলে এসেছি-বর্তমান অবৈধ ও জনবিচ্ছিন্ন সরকারের নিকট কখনোই অবাধ, নিরপেক্ষ ও সবার নিকট গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আশা করা যায়না।

আর এ কারণেই ২০ দলীয় জোট জনগণকে সাথে নিয়ে মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে।

২০ দলের এই মুখপাত্র বলেন, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমেই একটি দেশের সরকার ও জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়। এদেশের স্বাধীনতার বীজ বপনে গোপন ব্যালটে ভোট প্রদানের মাধ্যমেই বাংলার জনগণ ভুমিকা রেখেছিল।

পৃথিবীর বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গোপন ব্যালটে অবাধ ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থায় ভোট প্রদানের দ্বারা রাষ্ট্রীয় ও স্থানীয় পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে থাকে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, কিন্তু বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ হওয়া সত্ত্বেও জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে আজ নাগরিকের ভোট দেয়ার অধিকার হারিয়ে গেছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর প্রহসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এই ভোটাধিকার হরণের দস্যুতা আরো প্রকট হয়েছে।

শেয়ার করুন