১২ জানুয়ারি, ২০২৬ | ২৮ পৌষ, ১৪৩২ | ২২ রজব, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বেকারি মালিককে ছু’রি’কা’ঘা’ত, আটক ১   ●  খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সিবিআইউ ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে   ●  উখিয়া–নাইক্ষংছড়িতে আলোচিত মাদক ও জাল টাকা মামলার সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্য প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন   ●  আ.লীগের বদি’র ক্যাশিয়ার দশবছর পর ফিরলেন বিএনপিতে   ●  অসহায় শিশুদের জন্য শীতকালীন বস্ত্র উপহার দিল স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম   ●  মানবিক কাজে বিশেষ অবদান; হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা প্রদান   ●  দুই দিন ধরে নিখোঁজ প্রবাল নিউজের প্রতিবেদক জুয়েল হাসান, থানায় জিডি   ●  গ্রামে গ্রামে আনন্দের স্রোত   ●  সিবিআইউ’র আইন বিভাগের ১৭তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন   ●  ক্ষোভ থেকে হত্যার ছক আঁকেন অপরাধী চক্র

দ্বিতীয় দফায় ভাসানচরের পথে চট্টগ্রাম পৌঁছেছে ১৭৭২ রোহিঙ্গা

রহমত উল্লাহ টেকনাফ থেকে:

দ্বিতীয় দফায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ভাসানচর নেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভাসানচরে যেতে আগ্রহী রোহিঙ্গা সদস্যরা চট্টগ্রামে পৌঁছেছে।

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ক্যাম্পে থাকা ৪২৭ পরিবারের ১৭৭২ জন সদস্যের একটি দল আজ সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) স্বেচ্ছায় ভাসানচরের উদ্দেশে ক্যাম্প ছেড়ে চট্টগ্রামে পৌঁছেছে। চট্টগ্রাম থেকে মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে ৫ টি জাহাজে করে তারা ভাসানচরের উদ্দেশে রওনা দেবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর দুপুরে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির থেকে স্থানান্তরের প্রথম ধাপে ১ হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গা হাসিমুখে ভাসানচরে পৌঁছেছিল।

এ মাসের শুরুতে ভাসানচরে যাওয়া রোহিঙ্গাদের ওই দলটির সদস্যরা এসেছিল টেকনাফ-উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে। তাদের একদিন আগে বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে গাড়িতে এনে চট্টগ্রামে শাহিন স্কুলের ট্রানজিট ক্যাম্পে রাখা হয়েছিল। সূত্রে জানা গেছে, এবারও সেভাবে নিয়ে যাওয়া হবে তাদের।

মঙ্গলবার কক্সবাজার থেকে রোহিঙ্গাদের দ্বিতীয় দলটি ভাসানচরে পৌঁছার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন সাড়ে সাত লাখের বেশি নির্যাতিত রোহিঙ্গা। আগে আশ্রয় নেওয়াসহ বর্তমানে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা কক্সবাজারের শিবিরগুলোতে বসবাস করছেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গা স্থানান্তরের জন্য নিজস্ব তহবিল থেকে ৩ হাজার ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে সরকার। সেখানে এক লাখ রোহিঙ্গা বসবাসের উপযোগী ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। ভাসানচরের পুরো আবাসন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।