১৬ মার্চ, ২০২৬ | ২ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৬ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার

দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদগড় থেকে পান রপ্তানী

pan
কক্সবাজার জেলার কৃষি প্রধান এলাকা ঈদগড়ের কৃষকরা পান চাষ করে কৃষি ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন। ঈদগড়ের পান এখন দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানী হচ্ছে। খুবই সুমিষ্ট এলাকার পান। এলাকায় ও অন্যান্য জায়গায় খুবই সুনাম রয়েছে ঈদগড়ের পানের। পান চাষ করে এলাকার মানুষ নিজেদেরকে প্রকৃত স্বাবলম্বি হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে। হত দরিদ্র শত শত মানুষ পান চাষ ও ব্যবসা করে মহাসুখে দিন কাটাচ্ছেন। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ঈদগড়ের হাসনাকাটা, বড়বিল, কাটা জঙ্গল, বউঘাট, চেংছড়ি, বড়ইরচর, ছগিরাকাটা, পানিস্যাঘোনা, করলিয়ামুরা, তৈলখলা, চাইল্যাতলি ও কোদালিয়াকাটাসহ আরো বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক হারে পান চাষ হচ্ছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এলাকার আবাদযোগ্য জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা জুড়েই পান চাষ করা হয়। খড়-খুটো আর বাঁশ-বেতের মাধ্যমে পুরনো কায়দায় নির্মিত এসব পানের বরজ হঠাৎ দেখলে পথচারী কিংবা দর্শনার্থীদের তাক লেগে যায়। উৎপাদিত পান বিক্রির জন্য এলাকায় প্রতিদিন ছোট-বড় পানের হাটও জমে উঠে। আর এসব পান কিনতে আসেন বিভিন্ন এলাকার পাইকার ও মহাজনরা। বর্তমানে পান চাষ অধিক লাভ জনক হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন রকম রোগ-বালাই ও প্রতিকূলতা কমে আসায় অন্যান্য ফসলের তুলনায় পান চাষ এখন অধিক লাভ ও সুবিধাজনক।

য় কয়েকজন পান চাষী জানান, রোগ-বালাইয়ের কারণ উদঘাটন ও নিরসনের জন্য কারো কাছ থেকে কোন সাহায্য-সহযোগিতা ও পরামর্শ পান না। স্থানীয় উপ-কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, আবাদী ভূমির এখন অধিকাংশই পান চাষ হচ্ছে। এলাকার মানুষের কাছে পান চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।